প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৯২৩ সন
b ১৯২১ সন
c ১৯১৯ সন
d ১৯১৮ সন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯২১ সন ১. কেন সঠিক: বিদ্রোহী কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি অমর সৃষ্টি যা প্রথম ১৯২১ সালের ডিসেম্বরে প্রকাশিত হয়। কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ১৯২১ সালের ৬ ডিসেম্বর সাপ্তাহিক বিজলী পত্রিকায় এবং পরবর্তীতে এটি অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই কবিতাটির রচয়িতা বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম যিনি বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত। অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের দ্বিতীয় কবিতা হিসেবে এটি প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই বাংলা poesía জগতে এক অভূতপূর্ব সাড়া জাগায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালে। ব্যাখ্যা: বিদ্রোহী কবিতাটি অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থে স্থান পাওয়ার পূর্বেই পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের প্রলয়োল্লাস কবিতাটি অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা। ব্যাখ্যা: প্রলয়োল্লাস কবিতাটি ১৯২১ সালে রচিত ও প্রকাশিত হয় যা তার বিপ্লবী চেতনার বহিঃপ্রকাশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯২৩ সন — এই সনে বিদ্রোহী কবিতা প্রকাশিত হয়নি বরং এটি ১৯২১ সালের ঘটনা। B) ১৯২১ সন — এই অপশনটি সঠিক কারণ কবিতাটি এই সনেই প্রকাশিত হয়। C) ১৯১৯ সন — এই সনে কাজী নজরুল ইসলাম প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণ শেষে করাচি থেকে ফিরে আসেন। D) ১৯১৮ সন — এই সনে কাজী নজরুল ইসলাম সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়ে পল্টনে কূচবিহার ও করাচি যান। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের বিদ্রোহী কবিতা প্রকাশিত হয় একুশ সালে অর্থাৎ ১৯২১ সালে। বিদ্রোহী কবিতা লেখার বছর এবং প্রকাশের বছর একই অর্থাৎ ১৯২১ সন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিদ্রোহী কবিতাটি ১৯২১ সালের ৬ ডিসেম্বর বিজলী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। এই কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা এর অন্তর্গত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0