প্রশ্নের বর্ণনা

a অক্ষয়কুমার দত্ত
b এস এন বোস
c জগদীশ চন্দ্র বসু
d রামমোহন রায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অক্ষয়কুমার দত্ত ১. কেন সঠিক: বিজ্ঞান বিষয়ক প্রথম বাঙালি লেখক হিসেবে অক্ষয়কুমার দত্তকে গণ্য করা হয় কারণ তিনি বাংলা ভাষায় প্রথম বিজ্ঞানভিত্তিক প্রবন্ধ ও গ্রন্থ রচনা করেন। তাঁর 'চারुपाठ' এবং 'পদার্থবিদ্যা' গ্রন্থগুলোতে বৈজ্ঞানিক বিষয়বস্তু সহজ বাংলায় প্রথম সফলভাবে তুলে ধরা হয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: অক্ষয়কুমার দত্ত ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের অন্যতম প্রাবন্ধিক, শিক্ষক ও সমাজসংস্কারক ছিলেন এবং তিনি তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদনার দায়িত্বে ছিলেন। তিনি বাংলা গদ্যকে প্রাঞ্জল ও বিজ্ঞানমনস্ক করে তোলার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রেখেছিলেন এবং বিজ্ঞান শিক্ষাকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অক্ষয়কুমার দত্তের রচিত 'পদার্থবিদ্যা' গ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ বিজ্ঞান বিষয়ক পাঠ্যপুস্তক। উদাহরণ ২: তাঁর রচিত 'চারুপাট' গ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে পদার্থবিদ্যা, উদ্ভিদবিদ্যা এবং প্রাণীবিদ্যার বিভিন্ন বিষয় সহজ ভাষায় আলোচনা করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্ষয়কুমার দত্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বাংলা ভাষায় প্রথম বিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থ ও প্রবন্ধ রচনা করেছিলেন। B) এস এন বোস — ইনি একজন বিশ্ববিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী ও গণিতবিদ হলেও তিনি বিজ্ঞান বিষয়ক প্রথম বাঙালি লেখক নন। C) জগদীশ চন্দ্র বসু — ইনি প্রথম সফল বাঙালি বিজ্ঞানী যিনি রেডিও এবং উদ্ভিদের প্রাণ নিয়ে গবেষণা করেন, তবে তিনি প্রথম বিজ্ঞান লেখক নন। D) রামমোহন রায় — ইনি আধুনিক বাংলা গদ্যের অন্যতম পথিকৃৎ ও সমাজসংস্কারক হলেও প্রথম বিজ্ঞান বিষয়ক লেখক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: বিজ্ঞান লেখার শুরু অক্ষয় হাতে, তাই মনে রাখবে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রথম বাঙালি লেখক অক্ষয়কুমার দত্ত। প্রবন্ধ ও পাঠ্যপুস্তকের মাধ্যমে তিনিই প্রথম বাংলায় বিজ্ঞানের আলো ছড়িয়েছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা গদ্যের বিকাশে এবং বিজ্ঞান শিক্ষ প্রসারে অক্ষয়কুমার দত্তের অবদান অপরিসীম। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাবন্ধিক ও তাদের প্রথম গ্রন্থ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে, তাই তাঁর 'পদার্থবিদ্যা' ও 'চারুপাট' বই দুটি ভালোভাবে মনে রাখবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0