প্রশ্নের বর্ণনা

a কাশীরাম দাস
b ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
c কৃত্তিবাস ওঝা
d রামানন্দ ঘোষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাশীরাম দাস ১. কেন সঠিক: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মহাকাব্য মহাভারত বাংলায় সফলভাবে পদ্যে অনুবাদ করেন কবি কাশীরাম দাস। - সুলতানি ও মোঘল আমলের প্রেক্ষাপটে সাধারণ মানুষের বোধগম্য ভাষায় মহাভারতের কাহিনি বাংলায় রূপান্তর করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অনুবাদ সাহিত্য ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংযোজন হলো কাশীরাম দাসের মহাভারত অনুবাদ। - সপ্তদশ শতাব্দীতে রচিত এই মহাকাব্যটি মূলত সংস্কৃত মহাভারতের অনুসরণে রচিত হলেও এতে বাঙালি সংস্কৃতির রূপ ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রাক-চৈতন্য যুগের একটি নিদর্শন যা বড়ু চণ্ডীদাস কর্তৃক রচিত। উদাহরণ ২: পদ্মপুরাণ ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের মনসা মঙ্গল কাব্যের অন্যতম বিখ্যাত রচয়িতা বিজয় গুপ্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাশীরাম দাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি সম্পূর্ণ মহাভারত বাংলায় সফলভাবে অনুবাদ করেছিলেন। B) ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর — তিনি অষ্টাদশ শতাব্দীর কবি এবং অন্নদামঙ্গল কাব্যের জন্য বিখ্যাত, মহাভারত অনুবাদক নন। C) কৃত্তিবাস ওঝা — তিনি রামায়ণের প্রথম বাঙালি অনুবাদক, মহাভারতের অনুবাদক নন। D) রামানন্দ ঘোষ — তিনি মহাভারত অনুবাদের সঙ্গে যুক্ত কোনো প্রধান ঐতিহাসিক কবি বা সাহিত্যিক নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - মহাভারত লিখেছেন কাশীরাম দাস আর রামায়ণ লিখেছেন কৃত্তিবাস ওঝা, এটি মনে রাখার জন্য নাম দুটি পাশাপাশি মিলিয়ে পড়তে হবে। - মহাভারত ও রামায়ণ অনুবাদের এই পার্থক্যটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্যের ক্ষেত্রে রামায়ণ ও মহাভারতের অনুবাদকদের নাম আলাদাভাবে মনে রাখা বাধ্যতামূলক। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মূল গ্রন্থ এবং এর অনুবাদকের নাম মিলিয়ে প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা খুব বেশি থাকে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0