প্রশ্নের বর্ণনা

a অগ্নিবীণা
b বিষের বাঁশি
c প্রলয় শিখা
d সন্ধ্যা
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সন্ধ্যা ১. কেন সঠিক: বাংলাদেশের রণসঙ্গীত হিসেবে পরিচিত চল চল চল ঊর্ধ্বগগনে বাজে মাদল গানটি কাজী নজরুল ইসলামের সন্ধ্যা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। ১৯২৮ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে জাতীয়তাবাদী ও বিদ্রোহী চেতনার একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংকলন হিসেবে বিশেষ স্থান অধিকার করেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত এবং তিনি আমাদের জাতীয় সঙ্গীতের পাশাপাশি রণসঙ্গীতের রচয়িতা। সন্ধ্যা কাব্যগ্রন্থটি মূলত স্বদেশপ্রেম, বিপ্লব এবং শোষিত মানুষের মুক্তির বার্তা নিয়ে রচিত বিভিন্ন কবিতার এক অনন্য সংকলন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চল চল চল ঊর্ধ্বগগনে বাজে মাদল গানটি বাংলাদেশের রণসঙ্গীত হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে অনুমোদিত ও গীত হয়। ব্যাখ্যা: এই গানটি সামরিক কুচকাওয়াজ এবং জাতীয় বিভিন্ন উৎসবে অনুপ্রেরণা জোগাতে প্রধান রণসঙ্গীত হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের প্রলয়োল্লাস কবিতাটি অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত এবং এটিও বিপ্লবী চেतना সমৃদ্ধ। ব্যাখ্যা: এই কবিতাটিতে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের পটভূমিতে নতুন যুগ সূচনার অদম্য স্পৃহা ও বিপ্লবের জয়গান গাওয়া হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অগ্নিবীণা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ, যাতে বিদ্রোহী ও প্রলয়োল্লাস কবিতা রয়েছে কিন্তু রণসঙ্গীত নেই। B) বিষের বাঁশি — এটি নজরুলের একটি প্রখ্যাত সাম্যবাদী ও বিদ্রোহী কাব্যগ্রন্থ, যা ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে যাওয়ার কারণে বাজোপ্ত করা হয়েছিল। C) প্রলয় শিখা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বাজোপ্তকৃত রাজনৈতিক ও বিদ্রোহী কবিতা সংকলন, যা ভিন্ন রাজনৈতিক পটভূমিতে রচিত। D) সন্ধ্যা — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলাদেশের রণসঙ্গীত এই কাব্যগ্রন্থ থেকেই সংকলিত করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: রণসঙ্গীত মানেই সন্ধ্যার মতো প্রদীপ্ত আলো বা জাগরণ, তাই রণসঙ্গীতের উৎস খুঁজতে সন্ধ্যা কাব্যগ্রন্থটিকে মনে রাখতে হবে। নজরুলের বিদ্রোহী গান ও কবিতাগুলোর কাব্যগ্রন্থের নাম মনে রাখার জন্য বিষয়বস্তুর সাথে মিল রেখে ছক তৈরি করে পড়া কার্যকর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশের রণসঙ্গীতের রচয়িতা কাজী নজরুল ইসলাম এবং এর সুরকারও তিনি নিজেই। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জাতীয় সংগীত, রণসংগীত এবং বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের উৎস প্রায়ই আসে, তাই গ্রন্থভিত্তিক তথ্যগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0