প্রশ্নের বর্ণনা

a কাইয়ুম চৌধুরী
b জয়নুল আবেদিন
c কামরুল হাসান
d আব্দুর রব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কামরুল হাসান ১. কেন সঠিক: - বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপটির চূড়ান্ত নকশা তৈরি করেছিলেন বিখ্যাত চিত্রশিল্পী পটুয়া কামরুল হাসান। - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় শিব নারায়ণ দাসের আঁকা মূল পতাকার মানচিত্রখচিত নকশাকে আরও নিখুঁত ও সহজবোধ্য করার জন্য তিনি এটি পরিমার্জন করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কামরুল হাসান ছিলেন বাংলাদেশের আধুনিক শিল্পকলার অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব এবং একজন খ্যাতনামা চিত্রশিল্পী। - তিনি শুধু জাতীয় পতাকার রূপকারই নন, বরং ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সামরিক জান্তার প্রধান ইয়াহিয়া খানের দানবীয় রূপ ফুটিয়ে তোলা সেই বিখ্যাত পোস্টারটিরও স্রষ্টা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকের নকশাও কামরুল হাসান করেছিলেন, যা আমাদের জাতীয় পরিচয়ের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। উদাহরণ ২: পটুয়া কামরুল হাসান ব্যাখ্যা: শিল্পকলায় অবদানের জন্য তাঁকে পটুয়া উপাধিতে ভূষিত করা হয় এবং তিনি বাংলাদেশের সংস্কৃতির এক অবিস্মরণীয় নাম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাইয়ুম চৌধুরী — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও বইয়ের প্রচ্ছদ শিল্পী হলেও জাতীয় পতাকার রূপকার নন। B) জয়নুল আবেদিন — তিনি বাংলাদেশের শিল্পাচার্য এবং চারুকলা ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা, কিন্তু জাতীয় পতাকার নকশার সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন না। D) আব্দুর রব — তিনি ছাত্রনেতা হিসেবে ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেছিলেন, পতাকার রূপকার নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - পতাকা মানেই পটকা বা পটুয়া কামরুল হাসান, যিনি পতাকার নকশা পরিমার্জন করে রূপকার হয়েছেন। - প্রথম পতাকা উত্তোলক আব্দুর রব এবং পরিমার্জনকারী বা রূপکار কামরুল হাসান—এই দুটি নাম গুলিয়ে ফেলবেন না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জাতীয় পতাকা ও প্রতীক সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - পতাকার প্রথম নকশাকারী শিব নারায়ণ দাস এবং রূপকার কামরুল হাসান—এই তথ্যটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0