প্রশ্নের বর্ণনা

a নাটক
b ছোটগল্প
c প্রবন্ধ
d গীতিকবিতা
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গীতিকবিতা ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যে পদাবলী থেকে শুরু করে আধুনিককাল পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি কবি ও কবিতা রচিত হয়েছে এবং এর পরিধি ও বৈচিত্র্য সবচেয়ে ব্যাপক। অনুভূতির গভীরতা এবং প্রকাশের স্বকীয়তার কারণে বাংলা সাহিত্যের অন্যান্য ধারার তুলনায় গীতিকবিতা সবচেয়ে বেশি সমৃদ্ধ ও বিকাশ লাভ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: গীতিকবিতা হলো এমন এক ধরনের সাহিত্য যেখানে কবির ব্যক্তিগত সুখ, দুঃখ, আনন্দ, বেদনা ও অনুভূতির প্রকাশ ঘটে। প্রাচীন চর্যাপদ থেকে শুরু করে মধ্যযুগের পদাবলী এবং আধুনিক যুগের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের হাত ধরে বাংলা গীতিকবিতা সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতালিঞ্জলি ব্যাখ্যা: এটি বাংলা গীতিকবিতার একটি বিশ্বমানের সংকলন যার জন্য নোবেল পুরস্কার অর্জিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী কবিতা ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রতিবাদী গীতিকবিতা যা মানুষের মনে প্রবল আলোড়ন সৃষ্টি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাটক — বাংলা সাহিত্যে নাটক অপেক্ষাকৃত কম সমৃদ্ধ ধারা কারণ আমাদের নাট্যসাহিত্যের ঐতিহ্য সংস্কৃত ও পশ্চিমা ধারার তুলনায় অনেক পরে পূর্ণাঙ্গ রূপ পেয়েছে। B) ছোটগল্প — ছোটগল্প বিশ্বমানের হলেও গীতিকবিতার মতো এত দীর্ঘ সময় ধরে এবং এত বিশাল পরিসরে এটি বিকাশ লাভ করেনি। C) প্রবন্ধ — প্রবন্ধ বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার ক্ষেত্র হলেও সাধারণ পাঠকের কাছে গীতিকবিতার মতো এটি এতটা ব্যাপকতা লাভ করেনি। D) গীতিকবিতা — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলা সাহিত্যের শুরু থেকেই কবিতার ধারা সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলা সাহিত্যকে গভীরভাবে চিনতে হলে কবিতার হাত ধরেই এগোতে হয় তাই মনে রাখবে কবিতা বা গীতিকবিতা হলো বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে সমৃদ্ধ ও প্রাচীন ধারা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি এলে চোখ বন্ধ করে গীতিকবিতা বা কাব্য সাহিত্যকে প্রাধান্য দেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদও মূলত এক ধরনের গানের সংকলন যা কাব্য বা গীতিকবিতার প্রাথমিক রূপ। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন আসলে মূল ধারা হিসেবে কাব্য বা গীতিকবিতাকেই সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচন করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0