প্রশ্নের বর্ণনা

a শাহ মুহম্মদ সগীর
b সাবিরিদ খান
c শেখ ফয়জুল্লাহ
d মুহাম্মদ কবীর
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শাহ মুহম্মদ সগীর ১. কেন সঠিক: - বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম এবং প্রাচীনতম মুসলমান কবি হিসেবে শাহ মুহম্মদ সগীর সর্বস্বীকৃত। - গোরক্ষ বিজয় বা চর্যাপদ প্রাচীন যুগের হলেও মুসলমান কবিদের মধ্যে সুলতানি আমলের প্রথম কবি শাহ মুহম্মদ সগীর। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি শাহ মুহম্মদ সগীর গৌড় সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে কাব্যচর্চা করেন। - তার বিখ্যাত এবং একমাত্র নিশ্চিত সাহিত্যকর্ম হলো ইউসুফ জুলেখা নামক প্রণয়কাব্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইউসুফ জুলেখা কাব্য ব্যাখ্যা: এটি শাহ মুহম্মদ সগীরের লেখা বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবির রচিত শ্রেষ্ঠ কাব্য। উদাহরণ ২: লয়লা মজনু কাব্য ব্যাখ্যা: এটি দৌলত উজির বাহরাম খান রচিত পরবর্তী যুগের আরেকটি বিখ্যাত মধ্যযুগীয় প্রণয়কাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শাহ মুহম্মদ সগীর — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি প্রাচীনতম মুসলমান কবি। B) সাবিরিদ খান — তিনি মধ্যযুগের কবি হলেও শাহ মুহম্মদ সগীরের চেয়ে পরবর্তী সময়ের। C) শেখ ফয়জুল্লাহ — তিনি ষোড়শ শতাব্দীর কবি এবং গাজীনামা তার বিখ্যাত রচনা। D) মুহাম্মদ কবীর — তিনি সপ্তদশ শতাব্দীর কবি এবং মধুমালতী তার বিখ্যাত কাব্য। ৫ মনে রাখার টিপস: মুসলমান কবিদের মধ্যে সবার আগে আসেন সগীর ভাই, ইউসুফ জুলেখা লিখে অমর হয়েছেন তাই। মধ্যযুগের শুরুতে তার নাম সবার আগে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম মুসলমান কবির নাম প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। সুলতানি আমলের শুরুতেই শাহ মুহম্মদ সগীর ইউসুফ জুলেখা রচনা করেন।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0