প্রশ্নের বর্ণনা

a নিরঞ্জনের রুষ্মা
b গুপিচন্দ্রের সন্ন্যাস
c দোহাকোষ
d ময়নামতির গান
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দোহাকোষ ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র প্রামাণিক ও টিকে থাকা নিদর্শন হলো চর্যাপদ। তবে চর্যাপদের পাশাপাশি প্রাচীন যুগের আরও কিছু সাহিত্যকর্ম বা ভাষার নিদর্শন পাওয়া গেছে, যার মধ্যে দোহাকোষ অন্যতম। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবার থেকে চর্যাপদের পুথির সঙ্গে দোহাকোষও আবিষ্কার করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: দোহাকোষ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের রচিত আধ্যাত্মিক পদের সংকলন। এটি অপভ্রংশ ও অবহটঠ ভাষায় রচিত যা বাংলা ভাষার আদি রূপের খুব কাছাকাছি। এর প্রধান রচয়িতা হলেন লুইপা এবং কাহ্নপা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রথম আবিষ্কৃত পদসংকলন। উদাহরণ ২: ডাকবচন ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন ও মধ্যবর্তী সময়ের কৃষিতাত্ত্বিক ও সামাজিক প্রবচনের একটি সংকলন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিরঞ্জনের রুষ্মা — এটি মধ্য যুগের মঙ্গলকাব্যের আদি রূপ বা ধর্মপূজামঙ্গল ধারার একটি রচনা। B) গুপিচন্দ্রের সন্ন্যাস — এটি মধ্য যুগের নাথ সাহিত্য ধারার অন্তর্ভুক্ত একটি বিখ্যাত গান বা কাহিনীকাব্য। D) ময়নামতির গান — এটিও মধ্য যুগের নাথ সাহিত্য ধারার অন্তর্গত ময়মনসিংহ অঞ্চলের একটি লোকসাহিত্য। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রাচীন যুগের প্রধান নিদর্শন মনে রাখতে চর্যাপদের পাশাপাশি দোহাকোষ ও কৃষ্ণাকীর্তনের সময়কাল ও উৎস আলাদাভাবে মনে রাখবে। প্রাচীন যুগে মূলত বৌদ্ধ ও নাথ ধর্মের প্রভাব বেশি ছিল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ ধরা হয় সপ্তম শতক থেকে দ্বাদশ শতক পর্যন্ত। এই যুগের একমাত্র আবিষ্কার চর্যাপদ হলেও এর ভাষা ও রূপ বুঝতে দোহাকোষ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0