প্রশ্নের বর্ণনা

a মোতহের হোসেন
b ইসমাইল হোসেন সিরাজী
c মীর মশাররফ হোসেন
d ফররুখ আহমদ
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মীর মশাররফ হোসেন কেন সঠিক: মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত। তার রচিত রত্নাবলী বা বিষাদসিন্ধু কিংবা রত্নাবতী ধারার বাইরে প্রথম সার্থক উপন্যাস হলো রত্নবতী যা ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা উপন্যাসের সূচনার প্রাথমিক পর্যায়ে হিন্দু লেখকদের আধিক্য থাকলেও তিনি এই ধারা ভেঙে মুসলিমদের প্রবেশ নিশ্চিত করেন। তার এই উপন্যাস রচনার মধ্য দিয়ে বাঙালি মুসলমান সমাজে গদ্য সাহিত্য চর্চার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়। তার রচিত রত্নবতী উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিকের মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি বহন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোতহের হোসেন — ইনি একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক হলেও প্রথম ঔপন্যাসিক নন। তার সাহিত্যকর্ম মূলত প্রবন্ধ ও বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। B) ইসমাইল হোসেন সিরাজী — ইনি উনবিংশ শতাব্দীর শেষ ও বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকের একজন মুসলিম ঔপন্যাসিক ও কবি। তার বিখ্যাত উপন্যাস রায় নন্দিনী হলেও তিনি প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক নন। C) মীর মশাররফ হোসেন — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে ভুল ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। বরამ তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক হিসেবে ইতিহাস বিখ্যাত হয়ে আছেন। D) ফররুখ আহমদ — ইনি বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন বিশিষ্ট মুসলিম কবি। তিনি মূলত কাব্যচর্চার জন্য বিখ্যাত ছিলেন, কোনো উপন্যাস রচনা করেননি। মনে রাখার টিপস: মীর মশাররফ হোসেনের নামের প্রথম অক্ষর ম এবং প্রথম মুসলিম কথাটির মধ্যেও ম রয়েছে। এই মিলটি মনে রাখলে পরীক্ষা এই প্রশ্নটি সহজেই সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত করা যাবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0