প্রশ্নের বর্ণনা

a সারদা দেবী
b চন্দ্রাবর্তী
c স্বর্ণকুমারী দেবী
d সুফিয়া কামাল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চন্দ্রাবর্তী ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস অনুযায়ী মধ্যযুগের প্রথম সার্থক বাঙালি নারী কবি হিসেবে চন্দ্রাবর্তীকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। তিনি ষোড়শ শতকের বিশিষ্ট কবি এবং তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী যিনি রামায়ণ রচনা করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চন্দ্রাবর্তী ষোড়শ শতকে কিশোরগঞ্জ জেলার তাড়াইল উপজেলার পাতাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা দ্বিজ বংশীদাস ছিলেন একজন বিখ্যাত মনসামঙ্গল কাব্যের কবি। চন্দ্রাবর্তীর সবচেয়ে বিখ্যাত সৃষ্টি হলো রামায়ণ যা মল্লিকা দেবী নামেও পরিচিত এবং তার অপূর্ণ মহাকাব্য কমলবতী। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রামায়ণ রচনা। ব্যাখ্যা: চন্দ্রাবর্তীর লেখা রামায়ণ বাংলা সাহিত্যের নারী রচিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ মহাকাব্যিক প্রয়াস। উদাহরণ ২: মলুয়া পালা। ব্যাখ্যা: এটি তার আরেকটি বিখ্যাত রচনা যেখানে নারীর দুঃখ ও সমাজের চিত্র ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সারদা দেবী — তিনি শ্রীমদ্ভগবান রামকৃষ্ণের সহধর্মিণী ও আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব, কোনো সাহিত্যিক বা কবি নন। B) চন্দ্রাবর্তী — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি সাহিত্যিক তথ্যের সঙ্গে সম্পূর্ণরূপে মিলে যায়। C) স্বর্ণকুমারী দেবী — তিনি উনিশ শতকের কবি ও ঔপন্যাসিক, তবে তিনি প্রথম মহিলা কবি নন। D) সুফিয়া কামাল — তিনি বিংশ শতকের আধুনিক যুগের প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক, মধ্যযুগের কবি নন। ৫ মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগের প্রথম নারী কবি মনে রাখতে চন্দ্রাবর্তী নামটি মাথায় রাখুন যিনি ষোড়শ শতকে রামায়ণ লিখেছিলেন। পিতা দ্বিজ বংশীদাসের হাত ধরে তিনি সাহিত্যের আঙিনায় প্রবেশ করেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মধ্যযুগের একমাত্র নারী কবি বা প্রথম নারী কবির নাম জানতে চাওয়া হয়। মধ্যযুগের মহিলা কবি বললে চন্দ্রাবর্তীর নাম সবার আগে আসবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0