প্রশ্নের বর্ণনা

a বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস
b বঙ্গভাষা ও সাহিত্য
c বাংলা সাহিত্যের কথা
d বাংলা সাহিত্যের রূপরেখা
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বঙ্গভাষা ও সাহিত্য ১. কেন সঠিক: - ড. দীনেশচন্দ্র সেন রচিত বঙ্গভাষা ও সাহিত্য গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম পূর্ণাঙ্গ গবেষণাগ্রন্থ ও ইতিহাস গ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত। - ১৮৯৬ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের নিদর্শন উদ্ধার ও সংরক্ষণে যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্গভাষা ও সাহিত্য গ্রন্থের রচিয়তা ড. দীনেশচন্দ্র সেন বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক অনন্য ব্যক্তিত্ব ও গবেষক। - কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষার প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ হিসেবে এটি প্রকাশিত হয় এবং এর ইংরেজি অনুবাদও বেশ সমাদৃত হয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা প্রকাশ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির ইতিহাস চর্চায় একটি প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ সাময়িক পত্রিকা যা সেকালের তথ্য দেয়। উদাহরণ ২: বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত ব্যাখ্যা: এটি পরবর্তীকালের একটি প্রখ্যাত ইতিহাস গ্রন্থ যা সাহিত্যের ক্রমবিকাশ বুঝতে সহায়তা করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস — সুকুমার সেনের লেখা এই গ্রন্থটি পরবর্তীকালের একটি অন্যতম প্রধান ইতিহাস গ্রন্থ হলেও এটি প্রথম নয়। C) বাংলা সাহিত্যের কথা — ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর রচিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্য ইতিহাস গ্রন্থ যা অনেক পরে প্রকাশিত হয়। D) বাংলা সাহিত্যের রূপরেখা — এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের ওপর লেখা একটি আধুনিক গ্রন্থ, যা প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - দীনেশচন্দ্র সেনের বঙ্গভাষা ও সাহিত্য হলো ইতিহাসের শুরু, তাই প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ হিসেবে এটি সবার আগে মনে রাখতে হবে। - প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ হিসেবে নামের সঙ্গে ভাষা ও সাহিত্য শব্দটি যুক্ত আছে এটি মাথায় রাখলে ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ এবং এর লেখকের নাম বারবার আসে। - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস গবেষণার সূচনা করেছিলেন ড. দীনেশচন্দ্র সেন, এই তথ্যটি মনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0