প্রশ্নের বর্ণনা

a সুকুমার সেন
b দীনেশচন্দ্র সেন
c ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
d অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দীনেশচন্দ্র সেন ১. কেন সঠিক: - বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ রচনার কৃতিত্ব দীনেশচন্দ্র সেনের। - তাঁর রচিত বঙ্গভাষা ও সাহিত্য গ্রন্থটিকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের প্রথম প্রামাণ্য গ্রন্থ হিসেবে গণ্য করা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দীনেশচন্দ্র সেন বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস চর্চার ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী ব্যক্তিত্ব। - তাঁর বঙ্গভাষা ও সাহিত্য গ্রন্থটি ১৯০১ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের তথ্যসমৃদ্ধ গবেষণাকর্ম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রামনিধি গুপ্ত ও তাঁর কাল ব্যাখ্যা: এটি দীনেশচন্দ্র সেনের অন্যতম একটি উল্লেখযোগ্য ঐতিহাসিক ও জীবনীমূলক সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: পূর্ববঙ্গ গীতিকা ব্যাখ্যা: দীনেশচন্দ্র সেন সংগৃহীত ও সম্পাদিত এই গ্রন্থটি বাংলা লোকসাহিত্যের ইতিহাসে এক অমূল্য সংযোজন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুকুমার সেন — সুকুমার সেন বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস গ্রন্থ রচনা করলেও তা দীনেশচন্দ্র সেনের পরে প্রকাশিত হয়। B) দীনেশচন্দ্র সেন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ প্রণেতা। C) ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ — তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচনার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও প্রথম ইতিহাস রচয়িতা নন। D) অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় — অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় পরবর্তীকালের একজন বিশিষ্ট বাংলা সাহিত্য গবেষক ও ইতিহাসবিদ। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাস গ্রন্থের কথা মনে রাখতে দীনেশচন্দ্র সেনের নাম এবং তাঁর বঙ্গভাষা ও সাহিত্য গ্রন্থটি একসঙ্গে মনে রাখুন। - প্রথম ইতিহাস রচয়িতা হিসেবে দীনেশচন্দ্র সেন নামটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বঙ্গভাষা ও সাহিত্য গ্রন্থটির প্রকাশকাল ১৯০১ সাল এবং এটি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হয়েছিল। - এই ধরনের সাহিত্যিক প্রশ্নের ক্ষেত্রে লেখকের নামের সঙ্গে তাঁর প্রধান ঐতিহাসিক গ্রন্থটির নাম মনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0