প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৯২৩ সালে
b ১৯২৪ সালে
c ১৯২৫ সালে
d ১৯২৭ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯২৩ সালে ১. কেন সঠিক: কল্লোল পত্রিকা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ত্রৈমাসিক ও মাসিক সাহিত্যপত্র। এই পত্রিকাটি বাংলা সাহিত্যের আধুনিকতার সূচনা এবং রোমান্টিকতা থেকে বাস্তবধর্মী সাহিত্যের দিকে মোড় ঘোরানোর ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কল্লোল পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় বাংলা ১৩৩০ সনের পৌষ মাসে এবং খ্রিস্টীয় ১৯২৩ সালের ২৩ ডিসেম্বর। এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাস এবং পরে বুদ্ধদেব বসু ও অজিত দত্ত এর সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত হন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শনিবারের চিঠি ব্যাখ্যা: ১৯২৪ সালে প্রকাশিত এই পত্রিকাটি কল্লোল গোষ্ঠীর সাহিত্যিকদের তীব্র সমালোচনা ও ব্যঙ্গ করার জন্য পরিচিত ছিল। উদাহরণ ২: কালি ও কলম ব্যাখ্যা: এটিও বাংলা সাহিত্যের একটি আধুনিক মননশীল ও সুপরিচিত সাহিত্য পত্রিকা যা সমকালীন সাহিত্যচর্চায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯২৩ সালে — এই অপশনটি সঠিক কারণ কল্লোল পত্রিকা ১৯২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। B) ১৯২৪ সালে — এই অপশনটি ভুল কারণ ১৯২৪ সালে বাংলা সাহিত্যের অপর একটি বিখ্যাত পত্রিকা শনিবারের চিঠি প্রকাশিত হয়। C) ১৯২৫ সালে — এই অপশনটি ভুল কারণ ১৯২৫ সালে কল্লোল পত্রিকা প্রকাশিত হয়নি, তবে এটি তখন কল্লোল যুগের উন্মেষকাল হিসেবে পরিচিত ছিল। D) ১৯২৭ সালে — এই অপশনটি ভুল কারণ ১৯২৭ সালে কল্লোল যুগের অন্যতম মুখপত্র প্রগতি পত্রিকা প্রকাশিত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: কল্লোল মানে তরঙ্গের শব্দ এবং এই পত্রিকার মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার নতুন তরঙ্গ বা ঢেউ এসেছিল ১৯২৩ সালে। প্রতিষ্ঠাতা দীনেশরঞ্জন দাসের নাম মনে রাখলে পত্রিকার জন্মলগ্ন ও প্রেক্ষাপট সহজেই মনে রাখা সম্ভব হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত পত্রিকা ও সম্পাদকের নাম জানতে চাওয়া হয়। কল্লোল পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা দীনেশরঞ্জন দাস এবং এর প্রকাশকাল ১৯২৩ সাল মুখস্থ রাখা বিসিএস পরীক্ষার জন্য বাধ্যতামূলক।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0