প্রশ্নের বর্ণনা

a কাহ্নপা
b ঢেগুনপা
c লুইপা
d ভুসুকুপা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লুইপা ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদের আদি কবি বা প্রবক্তা হলেন লুইপা এবং ডক্টর সুকুমার সেনসহ অধিকাংশ পন্ডিত তাকেই চর্যাপদের প্রথম পদ রচয়িতা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। - চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন ও সাহিত্যিক নিদর্শন, যার আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং এর পদ সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ হাজার বছরের পুরনো বাংলা ভাষার বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সান্ধ্যভাষায় রচিত এক ধরনের সাধন সংগীত বা পদাবলি। - মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন এবং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে তা প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লুইপার পদ হলো চর্যাপদের প্রথম পদ যার প্রারম্ভিক পংক্তি হলো কাআ তরুবর পঞ্চ বি ডাল। ব্যাখ্যা: এই পদের মাধ্যমে চর্যাপদের সূচনা হয়েছে এবং এটি আদি কবির শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম হিসেবে সমাদৃত। উদাহরণ ২: ভুসুকুপা চর্যাপদের সর্বাধিক পদ রচয়িতা কবিদের একজন যিনি আটটি পদ রচনা করেছেন। ব্যাখ্যা: চর্যাপদে বিভিন্ন কবির অবদানের মধ্যে লুইপার পর অন্যান্য কবিদের পদ সংখ্যা ও গুরুত্ব অপরিসীম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাহ্নপা — কাহ্নপা চর্যাপদের সর্বাধিক সংখ্যক তেত্রিশটি পদ রচনা করেছেন কিন্তু তিনি আদি কবি নন। B) ঢেগুনপা — ঢেগুনপা বা ঢেকনপা চর্যাপদের একজন কবি হলেও তিনি আদি কবি হিসেবে স্বীকৃত নন। D) ভুসুকুপা — ভুসুকুপা চর্যাপদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি যিনি আটটি পদ রচনা করেছেন তবে তিনি প্রথম পদ রচয়িতা নন। ৫. মনে রাখার টিপস: চর্যাপদের আদি কবি মনে রাখার জন্য লুইপা নামের শুরুতে ল অক্ষরটি প্রথম বর্ণ হিসেবে মনে রাখতে পারো। লুইপা শব্দটি দিয়েই চর্যাপদের প্রথম পদ এবং প্রথম কবির নাম সহজে মাথায় রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং এর ভাষা ও সময়কাল নিয়ে প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা এবং সর্বাধিক পদ রচয়িতা কাহ্নপার নাম ভালোভাবে মনে রাখবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0