প্রশ্নের বর্ণনা

a প্যারীচাঁদ মিত্র
b মোহিতলাল মজুমদার
c বিহারীলাল চক্রবর্তী
d মাইকেল মধুসূদন দত্ত
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে প্রথম সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা প্রবর্তন করেন। - ইতালীয় কবি পেত্রার্কের সনেট রীতির অনুকরণে তিনি বাংলায় এই কাব্যরূপের সফল সূচনা করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ এবং সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার জনক। - তাঁর বিখ্যাত সনেট সংকলন চতুর্দশপদী কবিতাবলী প্রকাশিত হয় ১৮৬৬ সালে, যেখানে ইতালীয় ও ইংরেজি সনেটের গঠনরীতি অনুসৃত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গবাণী কবিতা নয়, মাইকেল মধুসূদন দত্তের কপোতাক্ষ নদ একটি বিখ্যাত সনেট। ব্যাখ্যা: এই কবিতাটিতে চতুর্দশপদী কবিতার প্রথাগত অষ্টক ও ষটক বিন্যাস এবং অন্ত্যমিল নিখুঁতভাবে রক্ষা করা হয়েছে। উদাহরণ ২: প্রবাসের দিনগুলিতে রচিত মাইকেল মধুসূদন দত্তের ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সনেটটি আরেকটি চমৎকার উদাহরণ। ব্যাখ্যা: এটিও সনেটের নিয়ম মেনে চৌদ্দ চরণে রচিত এবং এর ভাব ও রূপ সনেটরীতির পুরোপুরি অনুগত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারীচাঁদ মিত্র — তিনি বাংলা উপন্যাসের প্রবক্তা এবং আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের রচয়িতা, সনেটের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নেই। B) মোহিতলাল মজুমদার — তিনি বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত রোমান্টিক ও ধ্রুপদী ধারার কবি এবং সমালোচক ছিলেন। C) বিহারীলাল চক্রবর্তী — তিনি ভোরের পাখি নামে পরিচিত এবং বাংলা গীতি কবিতার প্রধান প্রবক্তা হিসেবে স্বীকৃত। D) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বাংলা সাহিত্যে প্রথম সনেট রচনা ও প্রবর্তন করেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - মধুসূদন মানেই মধুমাখা নতুন কিছু, তাই সনেটের মতো নতুন কাব্যরূপ তাঁর হাত ধরেই এসেছে। - চতুর্দশপদী কবিতা মানে চৌদ্দ চরণ, আর এর প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চতুর্দশপদী কবিতার প্রবক্তা কে, এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। - মাইকেল মধুসূদন দত্তের কপোতাক্ষ নদ কবিতাটি কোন ধরনের কবিতা, তা সনেট বা চতুর্দশপদী হিসেবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0