প্রশ্নের বর্ণনা

a প্যারীচাঁদ মিত্র
b রাজা রামমোহন
c ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
d বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কেন সঠিক: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যে প্রথম শৃঙ্খলা ও যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করেছিলেন। তিনি সংস্কৃত ও ইংরেজি ভাষার ভাবকে সুন্দরভাবে মিলিয়ে বাংলা গদ্যকে প্রাঞ্জল ও গতিশীল রূপ দিয়েছিলেন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা গদ্যের সূচনা ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিতদের মাধ্যমে হলেও বিদ্যাসাগর একে শৈল্পিক রূপ দেন। তার রচনার মধ্য দিয়ে বাংলা গদ্য তার শৈশব পার হয়ে পূর্ণাঙ্গ ও পরিপক্ব রূপ লাভ করে। তার বিখ্যাত রচনা সীতার বনবাস বা বেতালপঞ্চবিংশতি এই গদ্যরীতির উৎকৃষ্ট উদাহরণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারীচাঁদ মিত্র — তিনি বাংলা সাহিত্যে প্রথম উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল লিখেছিলেন যা সাধারণ মানুষের মুখের ভাষা বা চালতি রীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত ছিল। B) রাজা রামমোহন — তিনি গদ্যচর্চা করলেও তার ভাষা ছিল মূলত সংস্কৃত ও আরবি ফারসি শব্দের মিশ্রণে তৈরি যা বিদ্যাসাগরের মতো সুবিন্যস্ত ছিল না। D) বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় — তিনি বাংলা সার্থক উপন্যাসের জনক এবং তিনি গদ্যের জনক নন বরং গদ্যকে আরও আধুনিক ও শক্তিশালী করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: উপন্যাস বা প্রথম লেখার ক্ষেত্রে অন্যদের নাম এলেও যখনই খাঁটি গদ্যের জনক বলা হবে তখন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর নামটি মনে রাখতে হবে। বিদ্যাসাগর মানেই বাংলা গদ্যের ব্যাকরণগত শৃঙ্খলা এবং যতিচিহ্নের সঠিক প্রয়োগের জনক।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0