প্রশ্নের বর্ণনা

a আল মাহমুদ
b প্রমথ চৌধুরী
c সুকান্ত ভট্টাচার্য
d মুকুন্দ দাস
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে 'বীরবল' ছদ্মনামে লেখালেখি করতেন এবং তিনি বাংলা সাহিত্যে চলতি রীতির প্রবর্তক হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। - 'বীরবল' ছদ্মনামের আড়ালে তিনি মূলত সমাজ ও সংস্কৃতির নানা অসংগতির বিরুদ্ধে তীক্ষ্ণ ও বুদ্ধিবৃত্তিক কৌতুকপূর্ণ প্রবন্ধ রচনা করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী ১৮৬৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৪৬ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি বাংলা গদ্যে কথ্য বা চলতি ভাষার সার্থক ব্যবহার শুরু করেন। - তাঁর বিখ্যাত পত্রিকা 'সবুজপত্র' ১৩২১ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত হয় এবং বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির আন্দোলন গড়ে তুলতে এই পত্রিকার ভূমিকা ছিল অনন্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রবন্ধ সংগ্রহ ব্যাখ্যা: প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থের মধ্যে 'বীরবলের হালখাতা' অন্যতম যা এই ছদ্মনামের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। উদাহরণ ২: তেল নুন লাকড়ি ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর একটি বিখ্যাত মননশীল ও রম্যপ্রকৃতির প্রবন্ধ গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আল মাহমুদ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং তাঁর কোনো 'বীরবল' ছদ্মনাম নেই। B) প্রমথ চৌধুরী — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি 'বীরবল' ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। C) সুকান্ত ভট্টাচার্য — তিনি কিশোর কবি ও মার্ক্সবাদী চেতনার লেখক এবং তাঁর কোনো 'বীরবল' ছদ্মনাম ছিল না। D) মুকুন্দ দাস — তিনি বিখ্যাত স্বদেশি আন্দোলনের চারণকবি ও নাট্যকার এবং তাঁর ছদ্মনাম বীরবল নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো চৌধুরী পরিবারে বীরের মতো চলতি ভাষার প্রবর্তন করেছিলেন প্রমথ চৌধুরী। - সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক প্রমথ চৌধুরী ছদ্মনাম হিসেবে বীরবল নামটি বেছে নিয়েছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, যেমন বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম বনফুল। - সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম এবং তাদের সম্পাদিত পত্রিকাগুলো একসঙ্গে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0