প্রশ্নের বর্ণনা

a ২ প্রকার
b ৪ প্রকার
c ৩ প্রকার
d ৫ প্রকার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩ প্রকার ১. কেন সঠিক: - বাংলা ভাষার ছন্দ প্রধানত তিন প্রকার যথা স্বরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত ও অক্ষরবৃত্ত। - পঙক্তির অন্তর্নিহিত ধ্বনিপ্রবাহ ও তালের ওপর ভিত্তি করে ছন্দ এই তিন ভাগে বিভক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - স্বরবৃত্ত ছন্দকে দলবৃত্ত বা ঝোঁকের ছন্দ বলা হয় যা লোকসাহিত্যে বহুল ব্যবহৃত। - মাত্রাবৃত্ত ছন্দকে কলাবৃত্ত বা প্রবহমান ছন্দ বলা হয় যা গুরুভার ও গাম্ভীর্যপূর্ণ কবিতায় বেশি দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঐ দেখা যায় তালগাছ এক পায়ে দাঁড়িয়ে / সব গাছ ছাড়িয়ে উকি মারে আকাশে। ব্যাখ্যা: এটি স্বরবৃত্ত ছন্দের উদাহরণ যেখানে স্বরধ্বনি বা দল গণনার মূল ভিত্তি। উদাহরণ ২: মমত্ব সহজে যাহা পারো না ছাড়িতে / সে বোঝে না বোঝে তারে পারো না ভুলিতে। ব্যাখ্যা: এটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দের উদাহরণ যেখানে প্রতিটি মাত্রা গণনা করে ছন্দ রক্ষা করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ প্রকার — বাংলা ছন্দের মূল প্রকার সংখ্যা দুই নয় বরং তিনটি প্রধান রূপ রয়েছে। B) ৪ প্রকার — বাংলা ছন্দে প্রধান চার প্রকারের কোনো ঐতিহ্যগত বা তাত্ত্বিক ভিত্তি নেই। D) ৫ প্রকার — বাংলা ছন্দকে প্রধানত পাঁচ ভাগে ভাগ করার কোনো ব্যাকরণগত বা সাহিত্যিক নিয়ম নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - ছন্দ মনে রাখার সহজ উপায় হলো স্বমাঅ অর্থাৎ স্বরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত ও অক্ষরবৃত্ত। - স্বরবৃত্ত হলো দ্রুত গতির, মাত্রাবৃত্ত হলো মধ্যম গতির এবং অক্ষরবৃত্ত হলো ধীর গতির ছন্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ছন্দের নাম ও বৈশিষ্ট্য থেকে প্রশ্ন আসে। - ছন্দের মূল একক দল বা অক্ষর ভালোমতো আয়ত্ব করলে যেকোনো পঙক্তির ছন্দ সহজে নির্ণয় করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0