প্রশ্নের বর্ণনা

a কাজী আব্দুল ওদুদ
b হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়
c রাজশেখর বসু
d সুবলচন্দ্র মিত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাজশেখর বসু ১. কেন সঠিক: - 'চলন্তিকা' বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রমিত ব্যবহারিক অভিধান। - রাজশেখর বসু 'পরশুরাম' ছদ্মনামে বাংলা সাহিত্যে ব্যঙ্গাত্মক লেখার জন্য বিখ্যাত হলেও তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত lexicographer বা অভিধান প্রণেতা ও বিজ্ঞানী। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রাজশেখর বসু বাংলা সাহিত্যে পরশুরাম ছদ্মনামে ব্যঙ্গরচনা লিখে খ্যাতি অর্জন করেন। - তাঁর রচিত 'চলন্তিকা' অভিধান প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৩০ সালে এবং এটি বাংলা বানান ও শব্দার্থের ক্ষেত্রে একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরশুরাম ছদ্মনামে রচিত রাজশেখর বসুর বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ 'আনন্দময়ীর আগমনে'। ব্যাখ্যা: এটি লেখকের সাহিত্যিক পরিচয় ও ছদ্মনামের ব্যবহার বুঝতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: রাজশেখর বসুর অপর একটি বিখ্যাত অনুবাদ গ্রন্থ 'মেঘদূত'। ব্যাখ্যা: এটি কালিদাসের ধ্রুপদী সংস্কৃত কাব্যের চমৎকার বাংলা অনুবাদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী আব্দুল ওদুদ — তিনি বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের প্রবক্তা ও প্রাবন্ধিক ছিলেন, কোনো অভিধান প্রণেতা নন। B) হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি বঙ্গীয় শব্দকোষ নামক বিশাল অভিধানের প্রণেতা, চলন্তিকার নন। D) সুবলচন্দ্র মিত্র — তিনি সরল বাঙ্গালা অভিধানের প্রণেতা, যা এই প্রশ্নের উত্তর নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - চলন্তিকা অভিধানের প্রণেতা রাজশেখর বসু মনে রাখতে ছদ্মনাম পরশুরামের সাথে চলন্ত শব্দ মিলিয়ে পড়তে পারো। - অভিধানের নাম চলন্তিকা আর প্রণেতা চলিষ্ণু বুদ্ধির লেখক রাজশেখর বসু। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা অভিধান এবং তাদের প্রণেতাদের নাম প্রায়ই আসে। - বঙ্গীয় শব্দকোষের প্রণেতা হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং চলন্তিকার প্রণেতা রাজশেখর বসু, এই দুটি নাম প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0