প্রশ্নের বর্ণনা

a শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়
b বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়
c সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
d ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১. কেন সঠিক: বাংলা গদ্যের জনক বা রূপকার বলা হয় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে। তিনি বাংলা গদ্যকে সুবিন্যস্ত, প্রাঞ্জল ও গতিশীল রূপ দিয়েছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যে যতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্নের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করেন। তার লেখা বেতালপঞ্চবিংশতি ও বিদ্যাসাগর চরিত বাংলা গদ্য সাহিত্যকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বেতালপঞ্চবিংশতি ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অনূদিত একটি বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থ যা বাংলা গদ্যের ভিত্তি মজবুত করে। উদাহরণ ২: ভ্রান্তিবিলাস ব্যাখ্যা: এটিও বিদ্যাসাগর মহাশয়ের একটি জনপ্রিয় গদ্য রচনা যা শেক্সপিয়ারের নাটক অবলম্বনে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি গদ্যের জনক নন, বরং বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক। B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি আধুনিক বাংলা উপন্যাসের জনক, গদ্যের জনক নন। C) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় — তিনি আধুনিক যুগের বিশিষ্ট বাঙালি ঔপন্যাসিক ও কবি, গদ্যের জনক নন। D) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বাংলা গদ্যের শৃঙ্খলা ও শৈল্পিক রূপ প্রতিষ্ঠা করেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: মনে রাখার সহজ উপায় হলো গদ্যের জনক বিদ্যাসাগর আর উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র। এভাবে দুটি ভিন্ন ধারার জনক গুলিয়ে ফেলবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গদ্যের জনক এবং উপন্যাসের জনক সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই বিদ্যাসাগর ও বঙ্কিমচন্দ্রের অবদানের পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0