প্রশ্নের বর্ণনা

a বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়
b ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
c প্যারিচাঁদ মিত্র
d কালীপ্রসন্ন সিংহ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১. কেন সঠিক: বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক ও শৃঙ্খলিত রূপকার হিসেবে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়। তাঁর হাত ধরেই বাংলা গদ্য তার শৈশব পার করে পরিপক্বতা লাভ করে এবং যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার শুরু হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যে প্রথম যতিচিহ্নের সফল প্রয়োগ করেন এবং গদ্যে গতিশীলতা আনেন। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ সীতার বনবাস এবং বেতাল পঞ্চবিংশতি বাংলা গদ্যের বিকাশে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বেতাল পঞ্চবিংশতি ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম মৌলিক ও অনুদিত গদ্যগ্রন্থ যা গদ্যের কাঠামুকে শক্ত করেছে। উদাহরণ ২: শকুন্তলা ব্যাখ্যা: বিদ্যাসাগর রচিত এই গ্রন্থটি বাংলা গদ্যের সাবলীল ও মধুর রূপ ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক, গদ্যের জনক নন। B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — সঠিক উত্তর। C) প্যারিচাঁদ মিত্র — তিনি বাংলা উপন্যাসের পথপ্রদর্শক এবং আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের রচিয়তা। D) কালীপ্রসন্ন সিংহ — তিনি হুতোম প্যাঁচার নকশা লিখে বিখ্যাত হয়েছেন কিন্তু গদ্যের জনক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: মনে রাখার সহজ উপায় হলো গদ্যের জনক বিদ্যাসাগর আর উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র। বিদ্যাসাগর গদ্যে যতিচিহ্ন বসিয়ে একে সাজিয়েছেন তাই তিনি গদ্যের জনক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা গদ্যের জনক এবং উপন্যাসের জনকের মধ্যে প্যাচ লাগে। গদ্যের জনক এলেই ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর দাগাতে হবে এবং উপন্যাসের জনক এলে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় দাগাতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0