প্রশ্নের বর্ণনা

a বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়
b ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
c রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
d কালীপ্রসন্ন সিংহ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১. কেন সঠিক: বাংলা গদ্যে যতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্নের সঠিক ব্যবহার এবং গদ্যে প্রথম সুশৃঙ্খল ও নান্দনিক রূপ এনে দেওয়ার জন্য ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়। তাঁর হাত ধরেই বাংলা গদ্য তার শৈশব দশা পেরিয়ে একটি পঠনযোগ্য ও মার্জিত শিল্পরূপ লাভ করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ছিলেন উনবিংশ শতকের অন্যতম প্রধান বাঙালি সমাজসংস্কারক, শিক্ষাবিদ ও গদ্যকার। তাঁর রচিত বেতালপঞ্চবিংশতি এবং শকুন্তলা গ্রন্থগুলোর মাধ্যমেই বাংলা গদ্য তার নিজস্ব গতি ও পূর্ণতা অর্জন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বেতালপঞ্চবিংশতি ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অনূদিত একটি বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থ যা বাংলা গদ্যের ভিত্তি মজবুত করেছে। উদাহরণ ২: শকুন্তলা ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটিতে বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের এক চমৎকার মার্জিত ও মধুর রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক হিসেবে পরিচিত, বাংলা গদ্যের জনক নন। B) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — এই অপশনটি সঠিক এবং এটিই প্রশ্নের উত্তর। C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্য ও ছোটগল্পের প্রধান পুরুষ, গদ্যের জনক নন। D) কালীপ্রসন্ন সিংহ — তিনি হুতোম প্যাঁচা ছদ্মনামে হুতুম প্যাঁচার নকশা লিখে বিখ্যাত হয়েছেন কিন্তু গদ্যের জনক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: গদ্য লেখার জনক বিদ্যাসাগর, উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র এবং নাটকের জনক দীনবন্ধু মিত্র। এই তিনজনকে আলাদা করে মনে রাখলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা গদ্যের সূচনা উইলিয়াম কেরির ফোর্থ উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে হলেও এর প্রকৃত রূপকার ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। পরীক্ষায় গদ্যের জনক ও উপন্যাসের জনকের প্রশ্ন প্রায়ই একসাথে গুলিয়ে যায়, তাই উভয়ের পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0