প্রশ্নের বর্ণনা

a মুহসীন কলেজ
b ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ
c শ্রীরামপুর মিশন
d সংস্কৃত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ১. কেন সঠিক: বাংলা গদ্য সাহিত্যের সূচনা ও বিকাশে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের ভূমিকা অপরিসীম। ১৮০০ সালের ৪ মে তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড ওয়েলেসলি এই কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন এবং এর বাংলা বিভাগের প্রধান ছিলেন উইলিয়াম কেরি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই কলেজের বাংলা বিভাগের অধীনে দেশীয় পন্ডিতদের দ্বারা বেশ কিছু উপযোগী পাঠ্যপুস্তক রচিত হয়। বাংলা গদ্যের প্রাথমিক রূপ বা কাঠামোগত ভিত্তি গঠনে এই প্রতিষ্ঠানের সাহিত্যিক অবদান সবচেয়ে বেশি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রামরাম বসুর রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র। ব্যাখ্যা: এটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অধীনে রচিত প্রথম দিকের একটি ঐতিহাসিক বাংলা গদ্য গ্রন্থ। উদাহরণ ২: মৃত্যঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের বাতত্রিশ সিংহাসন। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটিও ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের ফরমায়েশ ও তত্ত্বাবধানে গদ্যে রচিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুহসীন কলেজ — এটি একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলেও বাংলা গদ্য সাহিত্য বিকাশে এর কোনো সরাসরি ঐতিহাসিক অবদান নেই। B) ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রশ্নে চাওয়া উত্তরটি এটিই নির্দেশ করে। C) শ্রীরামপুর মিশন — এটি বাংলা গদ্য ও মুদ্রণশিল্পে অবদান রাখলেও প্রশ্নানুযায়ী গদ্য সাহিত্য বিকাশের মূল সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। D) সংস্কৃত — এটি কোনো প্রতিষ্ঠান নয়, বরং একটি প্রাচীন ভাষা যার মাধ্যমে বাংলা গদ্যের বিকাশ ঘটেনি। ৫ মনে রাখার টিপস: বাংলা গদ্যের জন্ম ও বিকাশ মনে রাখতে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রতিষ্ঠাতা উইলিয়াম কেরির নাম মনে রাখবে। ১৮০০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কলেজটি বাংলা গদ্যের উষালগ্নের আঁতুড়ঘর। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রতিষ্ঠার সাল এবং এর সাথে জড়িত পন্ডিতদের নাম জিজ্ঞেস করা হয়। ১৮০০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান ছিলেন উইলিয়াম কেরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0