প্রশ্নের বর্ণনা

a সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
b আবদুল কাদির
c ফররুখ আহমদ
d তালিম হোসেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ১. কেন সঠিক: বাংলা কবিতায় ছন্দ নিয়ে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও এর জাদুকরী ব্যবহারে অনন্য দক্ষতার জন্য সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে 'ছন্দের জাদুকর' বলা হয়। তিনি সংস্কৃত শব্দের পাশাপাশি আরবি ও ফার্সি শব্দের চমৎকার মিশ্রণে বাংলা কবিতায় নতুন ছন্দের জন্ম দিয়েছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ১৮৮২ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯২২ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার ছন্দের ওপর অসাধারণ দখল ও নতুন ছন্দ উদ্ভাবনের জন্য অপ্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে স্বীকৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুহু ও কেকা ব্যাখ্যা: এটি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তার ছন্দশৈলীর অনন্য দক্ষতার পরিচয় বহন করে। উদাহরণ ২: বেলা শেষের গান ব্যাখ্যা: এটিও সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ যা বাংলা কবিতার ছন্দে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বাংলা কবিতায় ছন্দ উদ্ভাবন ও ছন্দের জাদুকর হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত। B) আবদুল কাদির — তিনি একজন প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্য গবেষক হলেও ছন্দ উদ্ভাবনে সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের মতো অপ্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন না। C) ফররুখ আহমদ — তিনি ইসলামী ভাবধারার পুনর্জাগরণবাদী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও মূল প্রশ্নটির নির্দিষ্ট উত্তর তিনি নন। D) তালিম হোসেন — তিনি একজন বিশিষ্ট কবি ও অনুবাদক হলেও বাংলা কবিতায় ছন্দ উদ্ভাবনের জন্য এই উপাধির সঙ্গে যুক্ত নন। ৫. মনে রাখার টিপস: ছন্দ মানেই সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত এবং তাকে ছন্দের জাদুকর বলা হয়। পরীক্ষায় ছন্দ সংক্রান্ত প্রশ্ন এলে সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের নামটি প্রথমে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের বিখ্যাত উপাধি হলো ছন্দের জাদুকর। তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে কুহু ও কেকা এবং বেলা শেষের গান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0