প্রশ্নের বর্ণনা

a 1990
b 1992
c 1994
d 1996
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৯২ ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষার বানান ও উচ্চকরণের বিশৃঙ্খলা দূর করার উদ্দেশ্যে বাংলা একাডেমি ১৯৯২ সালে প্রথম প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম প্রণয়ন করে। এই নিয়ম প্রণয়নের ফলে বাংলা লেখার ক্ষেত্রে একরৈখিক শৃঙ্খলা ও নিয়মানুবর্তিতা প্রতিষ্ঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস এবং বানানরীতি বিষয়ের আওতায় এই প্রশ্নটি পড়ে। ১৯৯২ সালে বাংলা একাডেমি একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে প্রমিত বানানের এই নিয়ম প্রকাশ করে, যা পরবর্তীতে সামান্য সংশোধিত হয়ে বর্তমান রূপ লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সান্ত্বনা ব্যাখ্যা: প্রমিত বানানের নিয়ম অনুযায়ী পদের শেষে অনুস্বার বা উ-এর ব্যবহার এবং যুক্তবর্ণের সঠিক রূপ নির্ধারণের একটি উদাহরণ। উদাহরণ ২: বুদ্ধিজীবী ব্যাখ্যা: প্রমিত বানানরীতি অনুসারে বানানে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহারের সঠিক নিয়ম নির্দেশ করে এমন একটি শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯০ — এই সালে বাংলা একাডেমির প্রমিত বানান নিয়ম প্রণীত হয়নি, এটি ভুল সাল। C) ১৯৯৪ — এই সালটি প্রমিত বানান প্রণয়নের সাল নয়, এটি ভুল তথ্য। D) ১৯৯৬ — এই সালে প্রমিত বানান প্রণয়ন করা হয়নি, এটি সঠিক উত্তরের সাল নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ১৯০২ সাল থেকে শুরু করে ৯০ যোগ করলে ১৯৯২ হয়, এভাবে সালটি মনে রাখা যায়। বাংলা একাডেমির প্রমিত বানান ১৯৯২ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা একাডেমির বানানরীতি থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বানান সংশোধনের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমির এই নিয়মগুলোই প্রামাণ্য হিসেবে ধরা হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0