প্রশ্নের বর্ণনা

a ড. মুহম্মদ এনামুল হক
b নরেন বিশ্বাস
c ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
d ড. আহমদ শরীফ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ১. কেন সঠিক: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা একাডেমির আঞ্চলিক অভিধান প্রকল্পের প্রধান সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তাঁর সম্পাদনায় বাংলা ভাষার বিভিন্ন অঞ্চলের আঞ্চলিক শব্দের সংগ্রহ ও প্রমিত রূপায়ন এই অভিধানে সম্পন্ন হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন একাধারে ভাষাবিজ্ঞানী, বহুভাষাবিদ ও গবেষক যিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস নিয়ে কাজ করেছেন। তাঁর সম্পাদনা ও গবেষণা বাংলা ভাষার আঞ্চলিক বৈচিত্র্য এবং উপভাষার রূপরেখা বুঝতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আঞ্চলিক শব্দ যেমন ডাবুর বা ছুচালো শব্দগুলোর সঠিক অর্থ ও উৎস নির্দেশে এই অভিধান ব্যবহৃত হয়। ব্যাখ্যা: বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের দৈনন্দিন ব্যবহৃত মুখের ভাষা থেকে প্রমিত শব্দ চয়ন করতে এই উদাহরণ প্রাসঙ্গিক। উদাহরণ ২: চাঁটগাইয়া বা বরেন্দ্র অঞ্চলের আঞ্চলিক শব্দসমূহ শহীদুল্লাহর সংকলনে স্থান পেয়েছে। ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষার উপভাষার বিস্তার ও বৈচিত্র্য বুঝতে এই ধরনের আঞ্চলিক শব্দের উদাহরণ খুব কাজে লাগে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. মুহম্মদ এনামুল হক — তিনি বাংলা একাডেমির বিভিন্ন গবেষণা ও অভিধান প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও আঞ্চলিক অভিধানের প্রধান সম্পাদক ছিলেন না। B) নরেন বিশ্বাস — তিনি বাংলা উচ্চারণ ও ভাষা নিয়ে কাজ করলেও এই নির্দিষ্ট আঞ্চলিক অভিধানের প্রধান সম্পাদক হিসেবে পরিচিত নন। C) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ তিনি মূল সম্পাদক ছিলেন। D) ড. আহমদ শরীফ — তিনি মূলত মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য এবং প্রাচীন পন্ডিতদের গদ্য রচনার গবেষক ও সম্পাদক ছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: শহীদুল্লাহ অর্থ ভাষাবিদ এবং আঞ্চলিক শব্দের ভাণ্ডার মানেই ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ঐতিহাসিক অবদান। অভিধানের কাজ মানেই প্রথম সারির ভাষাবিদ হিসেবে তাঁর নাম মনে রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা একাডেমির প্রকাশনা এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক প্রকল্পগুলোর প্রধান সম্পাদক কারা ছিলেন তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ভাষাবিজ্ঞান ও অভিধানসংক্রান্ত প্রশ্নের ক্ষেত্রে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর নাম এবং তাঁর অন্যান্য গবেষণা কর্মগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0