প্রশ্নের বর্ণনা

a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b প্যারীচাদ মিত্র
c ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
d বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে বাংলা উপন্যাসের জনক বা আধুনিক উপন্যাসের প্রবর্তক বলা হয়। ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত তাঁর 'দুর্গেশনন্দিনী' বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা গদ্য ও উপন্যাসের বিকাশে যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেছিলেন। তাঁর উপন্যাসের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্য মধ্যযুগের গণ্ডি পেরিয়ে আধুনিকতার ছোঁয়া লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কপালকুণ্ডলা' একটি রোমান্টিক উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা উপন্যাসের ধারায় এক অনন্য সংযোজন যা আধুনিক উপন্যাসের বৈশিষ্ট্য বহন করে। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'বিষবৃক্ষ' একটি সামাজিক উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে তৎকালীন সমাজের মনস্তত্ত্ব ও পারিবারিক সম্পর্কের জটিলতা অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা উপন্যাসে আধুনিকতার নতুন মাত্রা যোগ করলেও আধুনিক উপন্যাসের প্রবর্তক নন। B) প্যারীচাদ মিত্র — তিনি বাংলা উপন্যাসের প্রাথমিক যুগের লেখক হলেও তাঁর 'আলালের ঘরের দুলাল' প্রথম সার্থক আধুনিক উপন্যাস হিসেবে গণ্য হয় না। C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি বাংলা গদ্যের জনক হলেও কোনো মৌলিক উপন্যাস রচনা করেননি। D) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বাংলা প্রথম সার্থক উপন্যাস রচনার মাধ্যমে উপন্যাসের ধারা প্রবর্তন করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় হলেন আধুনিক উপন্যাসের কারিগর এবং তাঁর হাত ধরেই বাংলা উপন্যাস পূর্ণতা পায়। প্রথম উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী মনে রাখলে এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা উপন্যাসের প্রথম সার্থক রচয়িতা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁর প্রথম উপন্যাসের নাম দুর্গেশনন্দিনী যা ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয়। এই তথ্যটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0