প্রশ্নের বর্ণনা

a মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
b রামরাম বসু
c ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
d রাজিব লোচন মুখোপাধ্যায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার ১. কেন সঠিক: - 'বত্রিশ সিংহাসন' গ্রন্থটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের নির্দেশনায় বাংলা গদ্যে অনূদিত একটি প্রখ্যাত রচনা। - সংস্কৃত বা হিন্দি ভাষার গল্প অবলম্বনে রচিত এই গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন পন্ডিত মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার ছিলেন ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের একজন প্রধান পন্ডিত ও বিশিষ্ট গদ্যলেখক। - রাজা বিক্রমাদিত্যের ন্যায়বিচার ও সিংহাসন সংক্রান্ত কাহিনি নিয়ে এই গ্রন্থটি ১৮০২ সালে রচিত ও প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের 'প্রবোধচন্দ্রিকা' ব্যাখ্যা: এটি তাঁর অন্যতম বিখ্যাত ও পন্ডিতসুলভ গদ্যগ্রন্থ যা বাংলা গদ্যসাহিত্যের ইতিহাসে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। উদাহরণ ২: মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের 'রাজাবলি' ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে ভারতের ইতিহাস ও রাজবংশের বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে যা তাঁর গদ্যরচনার আরেকটি নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি 'বত্রিশ সিংহাসন' গ্রন্থটি রচনা করেছিলেন। B) রামরাম বসু — তিনি 'বত্রিশ সিংহাসন' রচনা করেননি, তবে তাঁর বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থ হলো 'রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র'। C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি এই গ্রন্থের রচয়িতা নন, তবে তিনি বাংলা গদ্যের পঙ্গুত্ব দূর করে একে পূর্ণতা দিয়েছিলেন। D) রাজিব লোচন মুখোপাধ্যায় — তিনি এই গ্রন্থ লেখেননি, তাঁর বিখ্যাত রচনা হলো 'মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রচন্দ্রের জীবনচরিত'। ৫ মনে রাখার টিপস: - মৃত্যুঞ্জয়ের মুখে বত্রিশটি দাঁত বা সিংহাসনের গল্প এভাবে মনে রাখতে পারো যে 'বত্রিশ সিংহাসন' মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের রচনা। - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিতদের মধ্যে মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের গদ্যরীতি ছিল একটু সংস্কৃতবহুল ও পন্ডিতসুলভ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের লেখকদের গ্রন্থতালিকা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের প্রধান তিনটি গ্রন্থ হলো 'বত্রিশ সিংহাসন', 'রাজাবলি' এবং 'প্রবোধচন্দ্রিকা'।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0