প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৮৩৮ খ্রি.
b ১৮৩৬ খ্রি.
c ১৮৩৭ খ্রি.
d ১৮৩৯ খ্রি.
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮৩৮ খ্রি. ১. কেন সঠিক: - বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম সন ১৮৩৮ খ্রিস্টাব্দ। - বাংলা কথাসাহিত্যের ইতিহাসে তাঁর অবদান অপরিসীম এবং তাঁকে প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক বলা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৩৮ সালের ২৬ জুন পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার নৈহাটি cercana কাটালপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - তিনি ১৮৫৮ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম ব্যাচে বিএ ডিগ্রি অর্জন করেন এবং সরকারি চাকুরিতে যোগদান করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দুর্গেশনন্দিনী ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম সার্থক উপন্যাস যা ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: বিষবৃক্ষ ব্যাখ্যা: এটি তাঁর রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা ১৮৭৩ সালে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮৩৮ খ্রি. — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সঠিক জন্মসন হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত এবং ঐতিহাসিক তথ্যের সঙ্গে মিলে যায়। B) ১৮৩৬ খ্রি. — এই সনটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মসন নয়, ফলে এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয় না। C) ১৮৩৭ খ্রি. — এটিও তাঁর জন্মসন নয়, তাই এই অপশনটি ভুল বলে গণ্য করা হয়। D) ১৮৩৯ খ্রি. — এই সনটি তাঁর জন্মের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর হতে পারে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মসাল মনে রাখতে আটের অঙ্কটি দুইবার ব্যবহার হয় এভাবে ভাবা যেতে পারে অর্থাৎ ১৮৩৮ সাল। - তাঁর জন্মসাল এবং প্রথম উপন্যাসের প্রকাশের সাল পাশাপাশি মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুব উপকারী। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয় এবং তাঁর রচিত প্রথম উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী। - বাংলা সাহিত্যিকের জন্ম ও মৃত্যুর সাল সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0