প্রশ্নের বর্ণনা

a হুতোম প্যাঁচা
b অবধূত
c বীরবল
d টেকচাঁদ ঠাকুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বীরবল ১. কেন সঠিক: প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম ব্যবহারের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। তিনি মূলত 'বীরবল' ছদ্মনামে বিভিন্ন মননশীল প্রবন্ধ, বিদ্রূপাত্মক রচনা এবং সাহিত্যপত্রিকা পরিচালনা করতেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বাংলা সাহিত্যে চলতি রীতির প্রবর্তক এবং বুদ্ধিবৃত্তিক গদ্যের জনক। তিনি 'সবুজ পত্র' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন এবং তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল সিরাজগঞ্জ জেলার হরিপুর গ্রামে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ 'তেল ও জল'। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটিতে তাঁর চিন্তাশীল ও তীক্ষ্ণ রসবোধের পরিচয় পাওয়া যায় যা বীরবল ছদ্মনামে প্রকাশিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: তাঁর সম্পাদিত পত্রিকা 'সবুজ পত্র'। ব্যাখ্যা: এই পত্রিকার মাধ্যমেই বাংলা গদ্যে সাধু রীতির পরিবর্তে চলতি রীতির প্রবর্তন ঘটেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হুতোম প্যাঁচা — এটি কালীপ্রসন্ন সিংহের বিখ্যাত ছদ্মনাম যিনি 'হুতোম প্যাঁচার নকশা' রচনা করেছিলেন। B) অবধূত — এটি মূলত মৎসেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম যিনি 'মরুতীর্থ হিংলাজ' উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। D) টেকচাঁদ ঠাকুর — এটি প্যারীচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম যিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস 'আলালের ঘরের দুলাল' রচনা করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম মনে রাখতে বীরবল শব্দটি মাথায় রাখুন। চৌধুরী সাহেবের বীরত্বপূর্ণ গদ্য লেখার ধরন থেকেই বীরবল নামটি এসেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল এবং প্যারীচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে, তাই এদের পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0