প্রশ্নের বর্ণনা

a ভারতচন্দ্র রায়
b কাজী দৌলত
c সৈয়দ হামজা
d আবদুল হাকিম
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সৈয়দ হামজা ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে একটি ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক তথ্য চাওয়া হয়েছে যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস এবং পুঁথি সাহিত্য ধারার সঙ্গে সম্পর্কিত। প্রদত্ত সঠিক উত্তর অনুযায়ী সৈয়দ হামজাকে পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যদিও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে পুঁথি সাহিত্যের প্রথম সার্থক ও জনপ্রিয় কবি হিসেবে ফকির গরীবুল্লাহকে বিবেচনা করা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: পুঁথি সাহিত্য বলতে মধ্যযুগের শেষভাগে এবং আধুনিক যুগের শুরুতে আরাকান রাজসভা ও বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে দোভাষী পুথিঁ ভাষায় রচিত কাব্য সাহিত্যকে বোঝানো হয়। সৈয়দ হামজা অষ্টাদশ শতকের একজন বিশিষ্ট পুঁথি সাহিত্যিক যিনি 'আমীর হামজা' ও 'মধুমালা' কাব্য রচনা করে তৎকালীন সমাজে ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমীর হামজা কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ হামজার একটি বিখ্যাত পুঁথি সাহিত্য যা পারস্যের রূপকথা ও বীরত্বগাথা অবলম্বনে বাংলা ভাষায় রচিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: সোনাভান কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি ফকির গরীবুল্লাহর লেখা একটি জনপ্রিয় পুঁথি সাহিত্য যা পুঁথি ধারার ঐতিহ্য ও ধারাকে ফুটিয়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারতচন্দ্র রায় — ইনি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের সর্বশেষ কবি এবং অন্নদামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা, পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক নন। B) কাজী দৌলত — ইনি সপ্তদশ শতকের আরাকান রাজসভার কবি এবং সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী কাব্যের রচয়িতা, পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক নন। C) সৈয়দ হামজা — প্রশ্নকর্তার প্রদত্ত উত্তর অনুযায়ী ইনি পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক হিসেবে চিহ্নিত হলেও সাহিত্য ইতিহাসে ফকির গরীবুল্লাহর নামও বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। D) আবদুল হাকিম — ইনি সপ্তদশ শতকের মধ্যযুগের কবি যিনি নূরনামা কাব্যের জন্য বিখ্যাত এবং মাতৃভাষাপ্রেয়ী কবি হিসেবে পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীন লেখক ও কবিদের নাম মনে রাখতে কবিদের কালানুক্রম এবং তাদের বিখ্যাত কাব্যগুলোর নাম আলাদা করে ছক আকারে পড়তে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের কবি ও তাদের রচিত কাব্যগুলোর নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রায়ই বিভিন্ন পরীক্ষায় এই অংশ থেকে প্রশ্ন আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0