প্রশ্নের বর্ণনা

a গোপালগঞ্জ
b ফরিদপুর
c ফিরোজপুর
d বিক্রমপুর
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফরিদপুর ১. কেন সঠিক: পল্লীকবি জসীমউদদীনের জন্মস্থান হলো বর্তমান বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলা। তিনি ফরিদপুর সদর উপজেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং তাঁর শৈশব ও কৈশোর এই অঞ্চলের পল্লিপ্রকৃতির সান্নিধ্যে কেটেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জসীমউদদীন বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্যের একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক যিনি পল্লিপ্রকৃতি ও সাধারণ মানুষের জীবন তাঁর কবিতায় নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। তাঁর বিখ্যাত নকশী কাঁথার মাঠ এবং সোজন বাদিয়ার ঘাট কাব্যগ্রন্থগুলো বাংলা সাহিত্যে পল্লীগীতির অনন্য নিদর্শন হিসেবে সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জসীমউদদীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ রাখালী। ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থে কবির পল্লীপ্রকৃতির প্রতি গভীর অনুরাগ ও গ্রামীণ মানুষের জীবনচিত্র স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: তাঁর রচিত বিখ্যাত নাটক বেদের মেয়ে। ব্যাখ্যা: এটি গ্রামবাংলার লোকসংস্কৃতি ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা নিয়ে রচিত একটি জনপ্রিয় নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোপালগঞ্জ — এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মস্থান হলেও জসীমউদদীনের জন্মস্থান নয়। B) ফরিদপুর — এটি জসীমউদদীনের জন্মস্থান হিসেবে ঐতিহাসিকভাবে স্বীকৃত এবং সঠিক অপশন। C) ফিরোজপুর — এটি দক্ষিণবঙ্গের একটি জেলা হলেও কবির জন্ম বা জীবনের সঙ্গে এর সরাসরি সম্পৃক্ততা নেই। D) বিক্রমপুর — এটি প্রাচীন বাংলার একটি ঐতিহাসিক অঞ্চল এবং অন্য সাহিত্যিকদের জন্মস্থান হলেও জসীমউদদীনের জন্মভূমি নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: পল্লীকবি জসীমউদদীনের নাম এলেই মনে রাখবে পল্লিবাংলার মাটি ও মানুষ, আর তাঁর জন্মস্থান হলো ফরিদপুর জেলা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কবি-সাহিত্যিকদের জন্মস্থান ও উপাধি সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। জসীমউদদীনকে তাঁর পল্লীজীবনভিত্তিক সাহিত্যকর্মের জন্য পল্লীকবি উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0