প্রশ্নের বর্ণনা

a দেবেশ রায়ের ‘তিস্তাপাড়ের বৃত্তান্ত
b সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘পূর্ব-পশ্চিম’
c শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের ‘যাও পাখি’
d অভিজিৎ সেনের ‘বহুচগুালের হাড়’
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘পূর্ব-পশ্চিম’ কেন সঠিক: ১. এই উপন্যাসে ১৯৪৭ সালের দেশভাগ থেকে শুরু করে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ এবং পরবর্তী সময়ের বাংলাদেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতা অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. মুক্তিযুদ্ধের পরের বাংলাদেশে মানুষের জীবনসংগ্রাম, আশাভঙ্গ ও নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের চিত্র এই উপন্যাসের একটি বিশাল অংশজুড়ে বিস্তৃত রয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা উপন্যাসের ধারায় সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘পূর্ব-পশ্চিম’ একটি মহাকাব্যিক রচনা যা দুটি দেশের মানুষের মনস্তত্ত্ব ও ইতিহাসের দলিল হিসেবে বিবেচিত। ২. উপন্যাসের পটভূমিতে মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তী সময়ের বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিদের মনস্তাত্ত্বিক দূরত্ব ও বাস্তবতার মেলবন্ধন দেখানো হয়েছে। ৩. উদাহরণস্বরূপ, এই উপন্যাসের বিভিন্ন চরিত্র যেমন প্রতাপ ও অন্যান্যদের মাধ্যমে যুদ্ধোত্তর স্বাধীন দেশের কঠিন বাস্তবতার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দেবেশ রায়ের ‘তিস্তাপাড়ের বৃত্তান্ত’ — এই উপন্যাসের মূল বিষয় হলো তিস্তা নদীর গতিপ্রকৃতি এবং তার তীরবর্তী মানুষের জীবন ও নদীকেন্দ্রিক অর্থনীতি। C) শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের ‘যাও পাখি’ — এই উপন্যাসটি মূলত পারিবারিক সম্পর্ক, মনস্তত্ত্ব এবং মানুষের ব্যক্তিগত জীবনের নানা জটিলতা নিয়ে রচিত। D) অভিজিৎ সেনের ‘বহুচগুালের হাড়’ — এই উপন্যাসটি গ্রামীণ জনপদ, প্রান্তিক মানুষের জীবন এবং তাদের বেঁচে থাকার লড়াইয়ের পটভূমিতে লেখা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ১. সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘পূর্ব-পশ্চিম’ মানেই দেশভাগ, মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযুদ্ধোত্তর সময়ের এক বিশাল মহাকাব্যিক উপাখ্যান। ২. অপশনগুলোর মধ্যে কেবল এই উপন্যাসটিকেই বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের দীর্ঘ ইতিহাসের পটভূমিতে মুক্তিযুদ্ধোত্তর সময়কে ধারণ করতে দেখা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0