প্রশ্নের বর্ণনা

a সবুজপত্র
b শনিবারের চিঠি
c কল্লোল
d ধূমকেতু
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ধূমকেতু কেন সঠিক: ১৯২২ সালে কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় প্রকাশিত 'ধূমকেতু' পত্রিকার প্রাক্কালেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আশীর্বাদ বাণী পাঠিয়েছিলেন। ওই আশীর্বাদ বাণীতে রবীন্দ্রনাথ নজরুলকে উদ্দেশ করে লিখেছিলেন চলে আয় তুই ধূমকেতু তারায় লাগিয়ে জট। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য সাধনার ক্ষেত্রে 'ধূমকেতু' পত্রিকা একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে পরিচিত। এই পত্রিকার প্রথম সংখ্যা থেকেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আশীর্বাদ বাণী প্রকাশিত হওয়ায় এর সাহিত্যিক গুরুত্ব বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছিল। যেমন রবীন্দ্রনাথের সেই বিখ্যাত আশীর্বাদ বাণীটি পত্রিকার প্রথম পাতার শীর্ষে নিয়মিত প্রকাশিত হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সবুজপত্র — এটি প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় ১৯১৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর প্রকাশনায় রবীন্দ্রনাথের আশীর্বাদ বাণীর কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। B) শনিবারের চিঠি — এটি একটি ব্যঙ্গাত্মক সাহিত্য পত্রিকা যা ১৯২৪ সালে সজনীকান্ত দাসের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছিল। C) কল্লোল — এটি দীনেশরঞ্জন দাসের সম্পাদনায় ১৯২৩ সালে প্রকাশিত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত মাসিক পত্রিকা। D) ধূমকেতু — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই বরং এটিই নির্দিষ্ট প্রশ্নের সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের আশীর্বাদ বাণী পেয়েছিল বিদ্রোহী কবির ধূমকেতু পত্রিকা যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। ধূমকেতু ও নজরুলের নাম এবং রবীন্দ্রনাথের আশীর্বাদ বাণী একত্রে মনে রাখলেই এই প্রশ্নের উত্তর সহজে মনে রাখা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0