প্রশ্নের বর্ণনা

a গণদেবতা
b পদ্মানদীর মাঝি
c সীতারাম
d পথের পাঁচালী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সীতারাম ১. কেন সঠিক: - এই প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়েছে কোন উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজজীবনের চিত্র প্রাধান্য লাভ করেনি। 'সীতারাম' একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস, যেখানে গ্রামীণ সমাজজীবনের চেয়ে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় দ্বন্দ্ব প্রধান হয়ে উঠেছে। - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এই উপন্যাসে গ্রামীণ সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন বা গ্রামীণ অর্থনীতির চিত্র ফুটিয়ে তোলার পরিবর্তে তৎকালীন হিন্দু রাজত্ব প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম ও শাসক শ্রেণীর চরিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক। - 'সীতারাম' তার শেষ উপন্যাস যা ১৮৮৭ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'দুেশিন্ডনদিনী' ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'বিষবৃক্ষ' ব্যাখ্যা: এটি একটি সামাজিক উপন্যাস যেখানে গ্রামীণ ও পারিবারিক জীবনের চিত্র রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গণদেবতা — তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই উপন্যাসে রাঢ় অঞ্চলের গ্রামীণ সমাজজীবন ও মানুষের সংগ্রাম প্রধানভাবে ফুটে উঠেছে। B) পদ্মানদীর মাঝি — মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই উপন্যাসে পদ্মা নদীর ধারের জেলে সম্প্রদায়ের গ্রামীণ জীবন নিখুঁতভাবে চিত্রিত হয়েছে। C) সীতারাম — এটি গ্রামীণ সমাজজীবনের উপন্যাস নয়, বরং এটি একটি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক পটভূমিতে রচিত উপন্যাস। D) পথের পাঁচালী — বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই উপন্যাসে বাংলার গ্রামীণ প্রকৃতি ও গ্রামীণ জীবন অত্যন্ত সুন্দরভাবে প্রাধান্য লাভ করেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: বঙ্কিমচন্দ্রের ঐতিহাসিক উপন্যাসগুলো মনে রাখার কৌশল হলো সীতারাম রাজসিংহ ও দেবী চৌধুরাণী সবাই ঐতিহাসিক চরিত্রের ওপর ভিত্তি করে রচিত। সামাজিক উপন্যাসগুলো যেমন পথের পাঁচালী বা গণদেবতা গ্রামীণ জীবনকে তুলে ধরে কিন্তু সীতারাম ইতিহাস নির্ভর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যে তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় গ্রামীণ সমাজজীবনের রূপকার হিসেবে পরিচিত। কোন উপন্যাসটি ঐতিহাসিক এবং কোনটি সামাজিক তা আলাদা করতে পারলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0