প্রশ্নের বর্ণনা

a কাজী আবদুল ওদুদ
b এস ওয়াজেদ আলি
c আবুল ফজল
d আবদুল কাদির
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) এস ওয়াজেদ আলি ১. কেন সঠিক: - এস ওয়াজেদ আলি 'বুদ্ধির মুক্তি' আন্দোলনের মূল সংগঠক 'মুসলিম সাহিত্য সমাজ'-এর সাথে সরাসরি যুক্ত ছিলেন না। - তিনি একজন প্রগতিশীল চিন্তাবিদ ও প্রাবন্ধিক হলেও এই নির্দিষ্ট আন্দোলনের আনুষ্ঠানিক প্ল্যাটফর্মে ছিলেন না। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ১৯২৬ সালে গঠিত 'মুসলিম সাহিত্য সমাজ' বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের প্রধান চালিকাশক্তি ছিল। - এই আন্দোলনের মূল স্লোগান ছিল জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আচ্ছন্ন, মুক্তি সেখানে অসম্ভব। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী আবদুল ওদুদ রচিত 'মিরচা সাহেব' ও 'নজরুল প্রতিভা'। ব্যাখ্যা: তিনি ছিলেন বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের অন্যতম প্রধান প্রবক্তা ও লেখক। উদাহরণ ২: আবুল ফজল রচিত 'সাহিত্য ও সংস্কৃতি' ও 'চোখের মাটি'। ব্যাখ্যা: তিনিও বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের একজন সক্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক ছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী আবদুল ওদুদ — তিনি মুসলিম সাহিত্য সমাজের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের প্রধান ব্যক্তিত্ব ছিলেন। B) এস ওয়াজেদ আলি — তিনি প্রগতিশীল লেখক হলেও বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের সাথে সরাসরি যুক্ত ছিলেন না। C) আবুল ফজল — তিনি বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের একজন সক্রিয় কর্মী ও মুসলিম সাহিত্য সমাজের সাথে যুক্ত ছিলেন। D) আবদুল কাদির — তিনি মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র 'শিখা' পত্রিকার সাথে যুক্ত ছিলেন এবং এই আন্দোলনের সমর্থক ছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন মানেই শিখা গোষ্ঠী ও মুসলিম সাহিত্য সমাজ। - কাজী আবদুল ওদুদ, আবুল ফজল ও আবদুল কাদির এই সমাজের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মুসলিম সাহিত্য সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২৬ সালে এবং এর মুখপত্র ছিল 'শিখা' পত্রিকা। - এই আন্দোলন রক্ষণশীলতার বিরুদ্ধে মুক্তবুদ্ধি চর্চার দ্বার উন্মুক্ত করেছিল।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0