প্রশ্নের বর্ণনা

a দৌলত উজির বাহরাম খাঁ
b সাবিরিদ খাঁ
c সৈয়দ সুলতান
d সৈয়দ নূরুদ্দীন
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সৈয়দ নূরুদ্দীন ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটির ধরন হলো লেখক ও সাহিত্যকর্ম এবং মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য। সৈয়দ নূরুদ্দীন মধ্যযুগের কোনো যুদ্ধকাব্যের রচয়িতা নন, তাই এই অপশনটি সঠিক। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান এবং যুদ্ধকাব্য বা জঙ্গনামা ধারার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এই ধারায় কারবালার যুদ্ধ ও অন্যান্য ঐতিহাসিক বা ধর্মীয় যুদ্ধকে কেন্দ্র করে বেশ কিছু কাব্য রচিত হয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাইলী মজনু ব্যাখ্যা: এটি দৌলত উজির বাহরাম খাঁর বিখ্যাত একটি রোমান্টিক কাব্য। উদাহরণ ২: জঙ্গনামা ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ সুলতানের কারবালার যুদ্ধভিত্তিক একটি প্রখ্যাত যুদ্ধকাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দৌলত উজির বাহরাম খাঁ - ইনি মধ্যযুগের একজন কবি এবং লাইলী মজনু কাব্যের রচয়িতা, যিনি যুদ্ধকাব্যের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। B) সাবিরিদ খাঁ - ইনি মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট কবি এবং হানিফা ও মদিনার লড়াই নামক বিখ্যাত যুদ্ধকাব্যের রচয়িতা। C) সৈয়দ সুলতান - ইনি মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং বিখ্যাত যুদ্ধকাব্য জঙ্গনামার রচয়িতা। D) সৈয়দ নূরুদ্দীন - ইনি যুদ্ধকাব্যের রচয়িতা নন, তাই এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগের যুদ্ধকাব্য মনে রাখার সহজ উপায় হলো বাহরাম খাঁ, সাবিরিদ খাঁ এবং সৈয়দ সুলতানের নামগুলো একসাথে মনে রাখা। যুদ্ধকাব্যের সঙ্গে নূরুদ্দীন নামের কোনো কবির প্রামাণিক যোগসূত্র নেই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের মুসলিম কবিদের রচিত কাব্যগুলোর নাম এবং তাদের মূল বিষয়বস্তু বিসিএস ও অন্যান্য চাকরির পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যুদ্ধকাব্য বা জঙ্গনামা ধারা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0