প্রশ্নের বর্ণনা

a মহাপৃথিবী
b উত্তর ফাল্গুনী
c ঝরাপালক
d বনলতা সেন
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উত্তর ফাল্গুনী ১. কেন সঠিক: - উত্তর ফাল্গুনী জীবনানন্দ দাশের কোনো কাব্যগ্রন্থ বা সাহিত্যকর্ম নয়। - এটি মূলত প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক নীহাররঞ্জন গুপ্তের একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা পরবর্তীতে চলচ্চিত্র হিসেবেও বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং আধুনিকতার রূপকার হিসেবে পরিচিত। - ১৯২৯ সালে প্রকাশিত তার ঝরাপালক কাব্যগ্রন্থ দিয়েই মূলত তার আধুনিক কাব্যযাত্রার সূচনা ঘটেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধূসর পান্ডুলিপি ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের একটি অন্যতম প্রধান এবং বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: রূপসী বাংলা ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের একটি প্রকৃতিপ্রেমমূলক অনন্য কাব্যগ্রন্থ, যা কবির মৃত্যুর পর ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাপৃথিবী — এটি আধুনিক কবি জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত ও আলোচিত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত হয়। B) উত্তর ফাল্গুনী — এটি জীবনানন্দ দাশের রচনা নয় বরং নীহাররঞ্জন গুপ্তের বিখ্যাত উপন্যাস, তাই এটি সঠিক উত্তর। C) ঝরাপালক — এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। D) বনলতা সেন — এটি জীবনানন্দ দাশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও যুগান্তকারী কাব্যগ্রন্থ যা ১৯৪২ সালে প্রকাশিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: জীবনানন্দ দাশের কাব্যগুলো সহজে মনে রাখতে তার প্রথম দিকের কিছু গ্রন্থ যেমন ঝরাপালক, ধূসর পান্ডুলিপি ও বনলতা সেন একসুরে মুখস্থ রাখতে পারেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই বিখ্যাত লেখকদের কাব্যগ্রন্থের নামের সাথে অন্য লেখকের উপন্যাস বা নাটকের নাম মিলিয়ে প্রশ্ন করা হয়। তাই কবিদের নির্দিষ্ট কাব্যগ্রন্থগুলোর তালিকা আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0