প্রশ্নের বর্ণনা

a জসীমউদদীন
b ফররুখ আহমদ
c আবুল হাসান
d শহীদ কাদরী
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জসীমউদদীন ১. কেন সঠিক: পল্লীকবি জসীমউদদীন ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর কবিতায় বাংলার গ্রামীণ প্রকৃতি ও সাধারণ মানুষের জীবন অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জসীমউদদীন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন অন্যতম প্রধান কবি ও লোকসাহিত্য সংগ্রাহক। তাঁর বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের মধ্যে নকশী কাঁথার মাঠ, সোজন বাঢ়িয়ার ঘাট ও রাখালী উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নকশী কাঁথার মাঠ ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদদীনের একটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ যা গ্রামীণ প্রেমের ট্র্যাজেডি নিয়ে রচিত। উদাহরণ ২: সোজন বাঢ়িয়ার ঘাট ব্যাখ্যা: এটি তাঁর আরেকটি প্রখ্যাত দীর্ঘ কবিতা বা লিরিক্যাল কাব্য যাতে বাংলার লোকজীবন প্রতিফলিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জসীমউদদীন — এটি সঠিক উত্তর কারণ কবি তাম্বুলখানা গ্রামেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন। B) ফররুখ আহমদ — তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার মধ্যপাড়া গ্রামে। C) আবুল হাসান — তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন ঝিনাইদহ জেলার উদয়পুর গ্রামে। D) শহীদ কাদরী — তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের ঢাকার ওয়াইজঘাটে। ৫ মনে রাখার টিপস: পল্লীকবির জন্মস্থান মনে রাখতে পল্লীগ্রাম আর তাম্বুলখানা নাম দুটি একসাথে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো। তাঁর জন্মতারিখ মনে রাখতে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগের দশক অর্থাৎ ১৯০৩ সাল স্মরণ করতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের জন্মস্থান ও জন্মতারিখ প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। একইভাবে অন্যান্য বিখ্যাত কবি ও সাহিত্যিকদের জন্মগ্রাম ও পৈতৃক নিবাস সম্পর্কেও বিস্তারিত ধারণা রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0