প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৯২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি
b ১৯২৮ সালের ১০ এপ্রিল
c ১৯৩০ সালের ১০ মে
d ১৯৩২ সালের ১০ আগস্ট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি ১. কেন সঠিক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম বক্তৃতা প্রদানের ঐতিহাসিক দিনটি হলো ১৯২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি। কার্জন হলে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এই বিখ্যাত বক্তৃতা প্রদান করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯২৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনে আসেন এবং কার্জন হলে বক্তব্য রাখেন। তাঁর এই বক্তৃতার মূল বিষয়বস্তু ছিল শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং মানবতাবাদের বিকাশ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১৯২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মনুষ্যত্ব ও শিক্ষার মেলবন্ধন নিয়ে বক্তব্য রাখেন। ব্যাখ্যা: এই বক্তৃতাটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক স্মৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঢাকা সফরকালে তাঁর সাহিত্যকর্ম ও দর্শন নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ তৈরি হয়েছিল। ব্যাখ্যা: এই সফরটি বাঙালি শিক্ষার্থীদের মননে সাহিত্য ও সংস্কৃতির বীজ বপন করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই নির্দিষ্ট তারিখেই রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর প্রথম ঐতিহাসিক বক্তৃতা দেন। B) ১৯২৮ সালের ১০ এপ্রিল — এটি ভুল কারণ এই তারিখে রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো বক্তৃতা দেননি এবং সালটি সঠিক নয়। C) ১৯৩০ সালের ১০ মে — এটি ভুল কারণ ১৯৩০ সালে রবীন্দ্রনাথের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সফরের কোনো ঐতিহাসিক রেকর্ড নেই। D) ১৯৩২ সালের ১০ আগস্ট — এটি ভুল কারণ এই তারিখে কবিগুরু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন না। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৯২৬ সাল এবং ১০ ফেব্রুয়ারি সংখ্যা দুটি মনে রাখলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রবীন্দ্রনাথের প্রথম বক্তৃতার সঠিক তারিখ পাওয়া যাবে। সফরের সালটি ১৯২৬ এবং মাসটি ফেব্রুয়ারি, যা বাংলা সাহিত্যের সাধারণ জ্ঞান প্রশ্নে প্রায়ই আসে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঢাকা সফর ও বক্তৃতা সংক্রান্ত সালগুলো বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই ধরনের প্রশ্নের ক্ষেত্রে সাল ও তারিখ আলাদাভাবে নোট করে পড়া উচিত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0