প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৯১১ সালে
b ১৯২১ সালে
c ১৯৩১ সালে
d ১৯৪১ সালে
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯২১ সালে ১. কেন সঠিক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যা ১ জুলাই ১৯২১ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে। ব্রিটিশ ভারতের তৎকালীন সরকার নাথান কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত করে। ২. সাহিত্য ও ঐতিহাসিক ব্যাখ্যা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পেছনে তৎকালীন বঙ্গভঙ্গ রদের পর পূর্ববঙ্গের মুসলমানদের শিক্ষাক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট ছিল। ১৯১২ সালের ২৭ জানুয়ারি নাথান কমিটি গঠিত হয় এবং ১৯১৩ সালের মার্চ মাসে নাথান কমিটির রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কার্জন হল ব্যাখ্যা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনগড়ের ঐতিহাসিক ভবন যার নির্মাণকাজ শুরু হয় ১৯০৪ সালে এবং এর নামকরণ করা হয় লর্ড কার্জন এর নামানুসারে। উদাহরণ ২: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতীক ব্যাখ্যা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোগ্রামে উক্তির পাশাপাশি সত্যের আলো প্রকাশের জন্য বিশেষ প্রতীক ব্যবহৃত হয়েছে যা এর ঐতিহ্যকে বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১১ সালে — এই সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ঘোষণা আসে কিন্তু তা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। B) ১৯২১ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালে বিশ্ববিদ্যালয়টির কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। C) ১৯৩১ সালে — এই সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি। D) ১৯৪১ সালে — এই সালটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত নয় বরং এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কাল। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ হওয়ার ক্ষতিপূরণ হিসেবে ঠিক দশ বছর পর অর্থাৎ ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। সালটি মনে রাখতে ১৯১১ এবং এর সঙ্গে দশ যোগ করলে ১৯২১ পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কার্জন হলে কার্যক্রম শুরু করে এবং এর প্রথম উপাচার্য ছিলেন ফিলিপ হার্টগ। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নাথান কমিশনের নাম এবং প্রতিষ্ঠার সাল জিজ্ঞাসা করা হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0