প্রশ্নের বর্ণনা

a ৯৫০ খ্রিস্টাব্দ
b ৬৫০ খ্রিস্টাব্দ
c ৮৫০ খ্রিস্টাব্দ
d ৭৫০ খ্রিস্টাব্দ
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬৫০ খ্রিস্টাব্দ ১. কেন সঠিক: - প্রখ্যাত ভাষাতাত্ত্বিক ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষার উদ্ভবকাল হলো সপ্তম শতাব্দীর প্রথমার্ধ বা আনুমানিক ৬৫০ খ্রিস্টাব্দ। - তিনি গৌড়ীয় প্রাকৃত বা বঙ্গকামরূপী অবভ্ৰংশ থেকে বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে বলে মত প্রকাশ করেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষার ইতিহাস ও উৎপত্তি নিয়ে ভাষাতাত্ত্বিকদের মধ্যে একাধিক মতবাদ প্রচলিত রয়েছে। - ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে বাংলা ভাষার উদ্ভবকাল হলো আনুমানিক ৯৫০ খ্রিস্টাব্দ এবং উৎস ছিল মাগধী প্রাকৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদ ব্যাখ্যা: ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে চর্যাপদের ভাষাই আদি বাংলা ভাষা, যা তার উদ্ভবকালের মতকে সমর্থন করে। উদাহরণ ২: ডক্টর সুনীতিকুমারের সময়কাল ব্যাখ্যা: সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে বাংলা ভাষার জন্ম ৯৫০ খ্রিস্টাব্দে, যা ডক্টর শহীদুল্লাহর মতের সঙ্গে তুলনামূলকভাবে আলোচিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯৫০ খ্রিস্টাব্দ — এটি ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে বাংলা ভাষার উদ্ভবকাল, ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মত নয়। B) ৬৫০ খ্রিস্টাব্দ — এটি ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষার সঠিক উদ্ভবকাল। C) ৮۵০ খ্রিস্টাব্দ — এটি বাংলা ভাষার উদ্ভবের কোনো প্রামাণিক ভাষাতাত্ত্বিক সাল নয়। D) ৭৫০ খ্রিস্টাব্দ — এটি ডক্টর শহীদুল্লাহর নির্ধারিত ৬৫০ খ্রিস্টাব্দের মতের সঙ্গে মিলে না এবং এটি অন্য কোনো একক ভাষাবিদের নির্দিষ্ট সাল নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - শহীদুল্লাহ নামের শেষাংশের ছ সঙ্গে ছয় সংখ্যাটি মিলিয়ে ৬৫০ খ্রিস্টাব্দ মনে রাখা যায়। - সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের নাম ৯৫০ খ্রিস্টাব্দের সঙ্গে যুক্ত করে পড়তে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও ডক্টর সুনীতিকুমারের মতবাদ প্রায়ই আসে। - ভাষাতাত্ত্বিকদের এই দুটি সাল মুখস্থ রাখা বাধ্যতামূলক।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0