প্রশ্নের বর্ণনা

a বঙ্গভাষা ও সাহিত্য
b বাংলা সাহিত্যের কথা
c বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস
d বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাংলা সাহিত্যের কথা ১. কেন সঠিক: - ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাসভিত্তিক গ্রন্থ হলো বাংলা সাহিত্যের কথা। - এই গ্রন্থটি প্রথম খণ্ডে প্রাচীন ও মধ্যযুগ এবং দ্বিতীয় খণ্ডে আধুনিক যুগ নিয়ে আলোচনা করার পরিকল্পনা থাকলেও প্রথম খণ্ডটিই বেশি সমাদৃত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন একাধারে ভাষাবিদ, গবেষক এবং বহুভাষাবিদ পন্ডিত। - ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থটিতে তিনি চর্যাপদ থেকে শুরু করে মধ্যযুগের বিভিন্ন সাহিত্যকর্মের তথ্যনিষ্ঠ ও বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ উপস্থাপন করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ সম্পাদিত চর্যাপদের ভাষার নাম বঙ্গকাম্যূপী। ব্যাখ্যা: তিনি চর্যাপদের ভাষা ও উৎপত্তি নিয়ে গবেষণা করে এই তত্ত্ব প্রদান করেছিলেন। উদাহরণ ২: তার আরেকটি বিখ্যাত ভাষাতাত্ত্বিক গ্রন্থ হলো অব্দুল লতিফ চৌধুরী স্মৃতি স্মারক গ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি তার গবেষণা ও সম্পাদনা প্রতিভার অনন্য নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গভাষা ও সাহিত্য — এই গ্রন্থটির রচয়িতা দীনেশচন্দ্র সেন, ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ নন। B) বাংলা সাহিত্যের কথা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস — এই নামে ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর কোনো মৌলিক গ্রন্থ নেই, সুকুমার সেনের গ্রন্থ রয়েছে। D) বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত — এই গ্রন্থের রচয়িতা মুহাম্মদ আব্দুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান। ৫. মনে রাখার টিপস: - শহীদুল্লাহর মুখের কথা অর্থাৎ বাংলা সাহিত্যের কথা এভাবে মনে রাখতে পারো। - ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর নামের সাথে কথার মিল করে এটি সহজেই মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে দীনেশচন্দ্র সেন ও ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর নাম প্রায়ই পরীক্ষাগুলোয় আসে। - লেখকের নাম ও গ্রন্থের নাম মেলানোর সময় সাল এবং প্রকাশনা মনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0