প্রশ্নের বর্ণনা

a ঝরা পালক
b ধূসর পাণ্ডুলিপি
c মহাপৃথিবী
d বনলতা সেন
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঝরা পালক ১. কেন সঠিক: জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো ঝরা পালক। এটি ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে কবির আধুনিক মনন ও রোমান্টিক চেতনার প্রাথমিক রূপ প্রকাশ পায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং তাকে রূপসী বাংলার কবি বলা হয়। ১৯২৭ সালে প্রকাশিত ঝরা পালক কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমে বাংলা কবিতায় এক নতুন সুর ও বিষণ্নতার সূচনা ঘটেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধূসর পাণ্ডুলিপি ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং তার কবিপ্রতিভার পূর্ণতা প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: বনলতা সেন ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৪২ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে হাজার বছর ধরে হাঁটার বিখ্যাত পঙক্তিটি রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঝরা পালক — এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। B) ধূসর পাণ্ডুলিপি — এটি জীবনানন্দ দাশের তৃতীয় প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, প্রথম কাব্যগ্রন্থ নয়। C) মহাপৃথিবী — এটি জীবনানন্দ দাশের চতুর্থ প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, তাই এটি প্রথম কাব্যগ্রন্থ হতে পারে না। D) বনলতা সেন — এটি জীবনানন্দ দাশের পঞ্চম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, এটি তার প্রথম সৃষ্টি নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: জীবনচন্দ্রের প্রথম কাজ ঝরে পড়া পাতা বা ঝরা পালক দিয়ে শুরু হয়েছিল মনে রাখতে পারো। ঝরা পালক দিয়েই তার কাব্যিক যাত্রা ১৯২৭ সালে শুরু হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ঝরা পালক ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয় এবং তাকে আধুনিক কবিতার নির্জনতম কবি বলা হয়। বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রায়ই আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0