প্রশ্নের বর্ণনা

a বুদ্ধদেব বসু
b বিষ্ণু দে
c সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বুদ্ধদেব বসু কেন সঠিক: বুদ্ধদেব বসু ত্রয়ীর অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের কাব্যের মূল সুর গভীরভাবে অনুধাবন করতে পেরেছিলেন। তিনি জীবনানন্দ দাশের কবিতায় যে নিঃসঙ্গতা ও প্রকৃতির রূপ দেখতে পান, তার ভিত্তিতে এই নামকরণ করেন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা আধুনিক কবিতার ইতিহাসে তিরিশের দশকে যে পাঁচজন কবির আবির্ভাব ঘটেছিল, জীবনানন্দ দাশ তাদের মধ্যে অন্যতম প্রধান। বুদ্ধদেব বসু তার ‘কবিতার কথা’ ও অন্যান্য সাহিত্যালোচনার মাধ্যমে জীবনানন্দ দাশের কবিতায় উপস্থিত প্রকৃতির রহস্যময়তা ও নির্জনতাকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন। যেমন, জীবনানন্দ দাশের ‘বনলতা সেন’ বা ‘আট বছর আগের একদিন’ কবিতায় এই গভীর নির্জনতা ও মানুষের একাকীত্ব স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুদ্ধদেব বসু — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনিই প্রথম জীবনানন্দ দাশকে নির্জনতার কবি হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন। B) বিষ্ণু দে — বিষ্ণু দে মার্ক্সবাদী চেতনার কবি ছিলেন এবং তিনি জীবনানন্দকে নিয়ে আলোচনা করলেও এই বিশেষ উপাধি দেননি। C) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত — সুধীন্দ্রনাথ দত্ত আধুনিক বাংলা কবিতার বুদ্ধিবাদী ধারা ও ক্লাসিক্যাল রূপের প্রবক্তা ছিলেন, এই উপাধির সাথে তিনি যুক্ত নন। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবনানন্দ দাশের কবিতাকে ‘চিত্ররূপময়’ বললেও ‘নির্জনতার কবি’ উপাধিটি তিনি দেননি। মনে রাখার টিপস: জীবনানন্দ দাশের নির্জনতার কথা বললে বুদ্ধদেব বসুর নাম মনে রাখবে, কারণ আধুনিক কবিতার মূল্যায়ন ও প্রচারে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0