প্রশ্নের বর্ণনা

a বীরগাঁথা
b কাহিনী কাব্য
c খণ্ডকাব্য
d লোকগাথা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) খণ্ডকাব্য ১. কেন সঠিক: - জসীমউদ্‌দীনের ‘রাখালী’ একটি খণ্ডকাব্য কারণ এতে কোনো একক দীর্ঘ কাহিনীর পরিবর্তে বিভিন্ন সময়ে রচিত বেশ কিছু বিচ্ছিন্ন ও সুন্দর গীতিবিতা স্থান পেয়েছে। - খণ্ডকাব্যের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এতে জীবনের কোনো বিশেষ দিক, অনুভূতি বা ভাব ফুটিয়ে তোলা হয় যা সমগ্র কাব্যজুড়ে বিস্তৃত থাকে না। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পল্লীকবি জসীমউদ্‌দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো ‘রাখালী’ যা ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়। - এই কাব্যে গ্রামীণ প্রকৃতি, মানুষের সহজ সরল জীবন এবং পল্লিপ্রকৃতির নানা রূপ অত্যন্ত সুন্দর ও সুরময় ভাষায় প্রকাশিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জসীমউদ্‌দীনের ‘বালুচর’ কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটিও কবি জসীমউদ্‌দীনের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যেখানে পল্লীজীবনের নানা রূপ খণ্ড কবিতায় ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: জসীমউদ্‌দীনের ‘ধানক্ষেত’ কবিতা। ব্যাখ্যা: এটি ‘রাখালী’ কাব্যের অন্তর্ভুক্ত একটি জনপ্রিয় কবিতা যেখানে গ্রামীণ ফসলের ক্ষেত ও প্রকৃতির রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বীরগাঁথা — বীরগাঁথা হলো বীরত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক কাহিনী নিয়ে রচিত দীর্ঘ কবিতা, যা ‘রাখালী’ কাব্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) কাহিনী কাব্য — কাহিনী কাব্যে একটি সুনির্দিষ্ট আখ্যান বা গল্প থাকে, কিন্তু ‘রাখালী’ মূলত খণ্ড কবিতার সংকলন। D) লোকগাথা — লোকগাথা হলো লোকমুখে প্রচলিত পুরনো কাহিনী বা প্রবাদ, যা এই একক কবির রচিত কাব্যগ্রন্থের মূল রূপ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - জসীমউদ্‌দীনের প্রথম কাব্য ‘রাখালী’ এবং এটি মূলত ছোট ছোট কবিতার সংকলন অর্থাৎ খণ্ডকাব্য। - কবিকে মনে রাখতে হবে পল্লীকবি হিসেবে এবং তার প্রথম সৃষ্টি মানেই ছোট কবিতার মালা বা খণ্ডকাব্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জসীমউদ্‌দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘রাখালী’ এবং এর প্রকাশকাল ১৯২৭ সাল, যা বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - কবি পরিচিতি পড়ার সময় তার প্রথম কাব্য, প্রথম নাটক ও বিখ্যাত উপন্যাসের নাম আলাদা করে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0