প্রশ্নের বর্ণনা

a রাখালী
b সোজন বাদিয়ার ঘাট
c নকশী কাঁথার মাঠ
d বালুচর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাখালী ১. কেন সঠিক: জসিমউদদীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো রাখালী, যা ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়। এই কাব্যগ্রন্থে পল্লীর প্রকৃতি, সাধারণ মানুষের জীবন ও গ্রামীণ সংস্কৃতির নিখুঁত ও আবেগঘন প্রকাশ ঘটেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: পল্লীকবি জসিমউদদীন ১৯০৩ সালে ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর কবিতায় বাংলার গ্রামীণ মাটি ও মানুষের রূপ অত্যন্ত সহজ ও সাবলীল ভাষায় ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নকশী কাঁথার মাঠ ব্যাখ্যা: এটি জসিমউদদীনের বিখ্যাত একটি দীর্ঘ কাহিনীকাব্য, যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: সোজন বাদিয়ার ঘাট ব্যাখ্যা: এটিও জসিমউদদীনের একটি জনপ্রিয় ও শোকগাথাভিত্তিক কাহিনীকাব্য, যা ৩৩ সালে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাখালী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি জসিমউদদীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। B) সোজন বাদিয়ার ঘাট — এটি জসিমউদদীনের একটি বিখ্যাত কাহিনীকাব্য, তবে প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ নয়। C) নকশী কাঁথার মাঠ — এটি জসিমউদদীনের বিখ্যাত কাহিনীকাব্য হলেও তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ নয়। D) বালুচর — এটি জসিমউদদীনের অন্যতম একটি কাব্যগ্রন্থ, তবে প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: জসিমউদদীনের প্রথম কাব্য মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো রাখাল মাঠে গরু চরায় আর রাখালী হলো তাঁর প্রথম কাব্য। এভাবে প্রকাশকাল ও নামের ক্রম মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পল্লীকবি জসিমউদদীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রকাশের সাল এবং তাঁর বিখ্যাত কাহিনীকাব্যগুলোর নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। কবির উপাধি এবং তাঁর সাহিত্যকর্মের ধরন ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0