প্রশ্নের বর্ণনা

a দ্বিজ বংশী দাস
b মানিক দত্ত
c মুক্তারাম সেন
d মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মানিক দত্ত ১. কেন সঠিক: জনশ্রুতি বা প্রথাগত ধারণা অনুযায়ী মানিক দত্তকে চণ্ডীমঙ্গল কাব্যধারার আদি বা প্রথম কবি হিসেবে গণ্য করা হয়। যদিও চণ্ডীমঙ্গল ধারার প্রামাণিক ও প্রথম সম্পূর্ণ কাব্য রচয়িতা হিসেবে দ্বিজ মাধবের নামও পাওয়া যায়, তবে ঐতিহ্যগত জনশ্রুতি অনুযায়ী মানিক দত্তকেই প্রথম কবি মানা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম জনপ্রিয় ধারা হলো মঙ্গলকাব্য যার মধ্যে চণ্ডীমঙ্গল কাব্য অন্যতম। এই ধারার কবিগণ দেবী চণ্ডীর মহিমা প্রচারের উদ্দেশ্যে কাব্য রচনা করতেন এবং এতে মধ্যযুগের লৌকিক জীবনের চিত্র ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুকুন্দরাম চক্রবর্তী রচিত কবিকঙ্কণ চণ্ডী। ব্যাখ্যা: এটি চণ্ডীমঙ্গল কাব্যধারার সবচেয়ে জনপ্রিয় ও শিল্পসম্মত নিদর্শন। উদাহরণ ২: দ্বিজ মাধব রচিত মঙ্গলচণ্ডীর গীত। ব্যাখ্যা: এটিও চণ্ডীমঙ্গল ধারার একটি অন্যতম প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বিজ বংশী দাস — ইনি মনসামঙ্গল কাব্যধারার বিখ্যাত কবি, চণ্ডীমঙ্গল ধারার নন। B) মানিক দত্ত — সঠিক উত্তর। C) মুক্তারাম সেন — ইনি ধর্মমঙ্গল কাব্যধারার একজন বিশিষ্ট কবি। D) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — ইনি চণ্ডীমঙ্গল ধারার শ্রেষ্ঠ কবি হলেও প্রথম কবি নন। ৫ মনে রাখার টিপস: জনশ্রুতির প্রথম মানিক এমনভাবে মনে রাখতে পারেন যে চণ্ডীমঙ্গল ধারার জনশ্রুতির প্রথম কবি হলেন মানিক দত্ত। বাংলা মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ধারাগুলো আলাদা করে ছক আকারে পড়লে কবিদের নাম মনে রাখা সহজ হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মঙ্গলকাব্যের বিভিন্ন ধারার প্রথম বা শ্রেষ্ঠ কবির নাম জানতে চাওয়া হয়। প্রশ্ন সমাধানের সময় জনশ্রুতি এবং প্রামাণিক তথ্যের মধ্যকার পার্থক্য ভালোভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0