প্রশ্নের বর্ণনা

a জীবনানন্দ দাশ
b বেগম সুফিয়া কামাল
c কাজী নজরুল ইসলাম
d নির্মলেন্দু গুণ
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নির্মলেন্দু গুণ ১. কেন সঠিক: - চাষাভুষার কাব্য হলো আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি নির্মলেন্দু গুণের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক কবিদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নির্মলেন্দু গুণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা-উত্তরকালের একজন প্রথিতযশা কবি, প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক। - তার কবিতায় গণমানুষের অধিকার, রাজনীতি এবং গ্রামীণ সমাজের চিত্র অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হুলিয়া ব্যাখ্যা: এটি কবি নির্মলেন্দু গুণের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি দীর্ঘ কবিতা, যা পরবর্তীতে বাংলা সাহিত্যের একটি ক্লাসিক হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। উদাহরণ ২: প্রেমাংশুর রক্তচাই ব্যাখ্যা: এটিও কবি নির্মলেন্দু গুণের একটি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক তাৎপর্যপূর্ণ কাব্যগ্রন্থ, যা তার দ্রোহী চেতনার পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জীবনানন্দ দাশ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার রূপসী বাংলা ও জীবনবাদী ধারার প্রধান কবি, চাষাভুষার কাব্য তার রচনা নয়। B) বেগম সুফিয়া কামাল — তিনি বাংলাদেশের নারী জাগরণের অগ্রদূত ও প্রখ্যাত কবি, চাষাভুষার কাব্য তার সাহিত্যকর্ম নয়। C) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি আমাদের জাতীয় কবি ও বিদ্রোহী কবি, চাষাভুষার কাব্য তার বিখ্যাত কোনো কাব্যগ্রন্থের নাম নয়। D) নির্মলেন্দু গুণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ চাষাভুষার কাব্য মূলত এই কবিরই একটি অনবদ্য সৃষ্টি। ৫ মনে রাখার টিপস: - নির্মলেন্দু গুণের গ্রামীণ ও সাধারণ মানুষের জীবনভিত্তিক কাব্য মনে রাখতে চাষাভুষার কাব্য নামটি মাথায় রাখতে হবে। - কবির নামের সাথে তার দ্রোহী ও জনমুখী লেখার বৈশিষ্ট্য মিলিয়ে পড়লে সহজে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় বিখ্যাত কবিদের কাব্যগ্রন্থের নাম প্রায়ই জোড় মিলাতে বা সরাসরি অপশন থেকে বেছে নিতে বলা হয়। - নির্মলেন্দু গুণের অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ যেমন দীর্ঘ দিবস দীর্ঘ রজনী এবং চিরকালের সিটিজেন ভালোভাবে পড়ে যাওয়া উচিত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0