প্রশ্নের বর্ণনা

a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b কাজী নজরুল ইসলাম
c প্রমথ চৌধুরী
d ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: চলিত রীতির প্রবর্তক বা জনক হলেন প্রমথ চৌধুরী। তিনি বাংলা গদ্যে কথ্য বা চলিত রূপের সুদৃঢ় প্রতিষ্ঠা করেন এবং একে সাহিত্যিক মর্যাদা দান করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক প্রাবন্ধিক ও বীরবল ছদ্মনামের প্রণেতা। তার সম্পাদনায় প্রকাশিত সবুজ পত্ৰ পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির আন্দোলন শুরু হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন তৈলচিত্র। ব্যাখ্যা: এই রচনাটিতে চলিত ভাষার সাবলীল ও মার্জিত রূপ স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: তার অপর গ্রন্থ বীরবলের হালখাতা। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থেও তিনি চলিত রীতির ব্যঙ্গাত্মক ও বুদ্ধিবৃত্তিক প্রয়োগ দেখিয়েছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর চলিত রীতিকে সাহিত্যে জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহার করলেও এর মূল প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরী। B) কাজী নজরুল ইসলাম — কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহী কবি ও কথাসাহিত্যিক হলেও তিনি চলিত রীতির প্রবর্তক নন। D) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সাধু রীতির গদ্যের জনক ও পন্ডিত হিসেবে পরিচিত, চলিত রীতির প্রবর্তক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: চলিত রীতির প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরী মনে রাখতে সবুজ পত্র পত্রিকার অবদান এবং বীরবল ছদ্মনামটি মাথায় রাখুন। গল্প বা প্রবন্ধ লেখার সময় মুখের ভাষাকে সাহিত্যে নিয়ে আসার মূল কৃতিত্ব প্রমথ চৌধুরীর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চলিত রীতির প্রবর্তক এবং সবুজ পত্র পত্রিকার সম্পাদক সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। সাধু রীতির প্রবর্তক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এবং চলিত রীতির প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরী—এই দুটি তথ্য গুলিয়ে ফেলা যাবে না।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0